4 Answers

হ্যাঁ অবশ্যয় জাহান্নামে যাবে!

9704 views

অতীত বুজালে সবাই  জাহান্নামি নয়।  বর্তমানকাল যে বা যারা ইসলাম ধর্ম  ছারা অন্য ধর্ম গ্রহণ করবে তারা জাহান্নামি।

9704 views

কে জান্নাতে যাবেন আর কে জাহান্নামে যাবেন এটা একমাত্র আল্লাহ ই ভালো যানেন তবে অন্যধর্মাবলম্বীরা ভয়ংকর ভয়ংকর শিরকের গুহায় লিপ্ত হয় তাই বলা যায় তারা জাহান্নামী।

9704 views

আমরা মুসলিম। আমরা বিশ্বাস করি, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনবে এবং সৎকাজ করবে তার প্রতিদান রয়েছে তাদের রবের কাছে এবং তাদের জন্য কোনো ভয় ও মর্মবেদনার অবকাশ নেই। অর্থাৎ তারা মৃত্যুর পরে জান্নাতে যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কোনো হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান অথবা কোনো ইহুদী ইসলামের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেল না, অথচ তারা পৃথিবীতে অনেক ভালো কাজ করেছে, তাদের ব্যাপারে ইসলাম কী বলে? তারা কী জান্নাতে যাবে নাকি জাহান্নামে? যেহেতু আল্লাহ প্রদত্ত কমন সেন্স তাদের ছিল এবং ইসলাম সম্পর্কে জানার যথেষ্ট উপকরণ তারা পেয়েছিলেন, এরপরও তারা ইসলাম গ্রহণ করেননি, তাই তারা জান্নাতে যেতে পারবেন না। তবে হ্যাঁ, আল্লাহ কারো ওপর জুলুম করেন না। তারা যে যতটুকু ভালো কাজ করেছেন, এর প্রতিদান আল্লাহ মহান পৃথিবীতেই তাদের দিয়ে দেন। মানুষ তাদেরকে চিনেছে, জেনেছে। তাদের মৃত্যুর পরও তাদের সুনাম পৃথিবীর মানুষ করেছে। তাদের ভালো কাজের পার্থিব প্রতিদান আল্লাহ এভাবে দিয়ে থাকেন। পরলৌকিক প্রতিদানের জন্য যেহেতু আল্লাহ ও তার রাসূল (সাঃ)-এর ওপর বিশ্বাস স্থাপনটা মূল শর্ত, যা তাদের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত। তাই তারা পরলৌকিক কোনো প্রতিদান পাবেন না। আল্লাহ মহান যুগে যুগে বহু নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। যে যুগে যাকে পাঠিয়েছেন, সে যুগে তার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করাই ছিল সঠিক পথ। আর আল্লাহ মহান সর্বশেষে পাঠিয়েছেন নবী মুহাম্মদকে (সাঃ)। এরপর একমাত্র তার পথই সঠিক পথ। অন্য সব পথ ভ্রান্ত ও বাতিল। আল্লাহ মহান ইরশাদ করেছেন, এ আনুগত্য (ইসলাম) ছাড়া যে ব্যক্তি অন্য কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করতে চায় তার সে পদ্ধতি কখনোই গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে হবে ব্যর্থ, আশাহত ও বঞ্চিত। (সূরা আল ইমরান, আয়াত-৪৫) পূর্বের কোনো ধর্মের অনুসারী যখন নতুনভাবে ইসলামের বিশ্বাসে বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং আল্লাহ ও তার রাসূলে (সাঃ)-এর প্রতি ঈমান আনবে, তার জন্য বেশি সওয়াবের ঘোষণা দিয়ে আল্লাহ মহান কুরআনে ইরশাদ করেছেন, নিশ্চিতভাবে জেনে রেখ, যারা শেষ নবীর প্রতি ঈমান আনে কিংবা ইহুদি, খৃষ্টান বা সাবি তাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তিই আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনবে এবং সৎকাজ করবে তার প্রতিদান রয়েছে তাদের রবের কাছে এবং তাদের জন্য কোনো ভয় ও মর্মবেদনার অবকাশ নেই। (সূরা বাকারাহ, আয়াত-৬২) অন্য ধর্মের যে সব লোকরা রাসূল (সাঃ)-এর প্রতি ঈমান আনেনি, তাদের সম্পর্কে মহানবী (সা) বলেছেন, সেই মহান সত্ত্বার শপথ যার কবযায় আমার প্রাণ, এই উম্মতের কোনো ইহুদী, খৃষ্টান যদি আমার কথা শুনে, এরপর আমার আনীত বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের আগেই মারা যায়, তাহলে সে জাহান্নামবাসী হবে। (মুসলিম) তিনি অন্য একটি হাদিসে আরও বলেছেন, আমার উম্মতের সবাই জান্নাতে যাবে, তবে যে অস্বীকৃতি জানায় সে ছাড়া। বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ, অস্বীকৃতি জানায় কে? তিনি বললেন, যে আমার অনুসরণ করবে সে জান্নাতে যাবে। আর যে আমার অনুসরণ করবে না, সে জাহান্নামে যাবে। (বুখারী) আল্লাহপাক মানুষকে সকল প্রকার অঙ্গ-প্রতঙ্গ দিয়েছেন। এমনকি মনও দিয়েছেন। হক ও বাতিলের পার্থক্য দেখার ও বুঝার জন্য প্রয়োজন ছিল এমন কোনো জিনিস তিনি নিজের পক্ষ থেকে মানুষকে দিতে কার্পণ্য করেননি। কিন্তু লোকেরা প্রবৃত্তির দাসত্ব ও দুনিয়ার প্রেমে মত্ত হয়ে নিজেরাই নিজেদের চোখ কানা করে নিয়েছে, কানে তোলা লাগিয়েছে এবং অন্তরকে বিকৃত করে ফেলেছে। ফলে তার মধ্যে ভাল মন্দের পার্থক্য ভুল-নির্ভূলের জ্ঞান এবং বিবেকের সজীবতার কোনো লক্ষণ খুজে পাওয়া যায় না। যারা আল্লাহপাকের সাথে এমন আচারণ করেন তাদের বিষয়েও আল্লাহপাক ঘোষণা দিয়েছেন, আল্লাহ কারো ওপর এক অণু পরিমাণও জুলুম করেন না। যদি কেউ একটি সৎকাজ করে, তাহলে আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ করে দেন এবং নিজের পক্ষ থেকে তাকে মহাপুরস্কার প্রদান করেন। (সূরা-নিসা, আয়াত-৪০)  অন্য একটি আয়াতে আল্লাহপাক আরো ইরশাদ করেছেন, আসলে আল্লাহ মানুষের প্রতি জুলুম করেন না, মানুষ নিজেই নিজের প্রতি জুলুম করে (সূরা ইউনুস, আয়াত- ৪৪) 

9704 views