1 Answers

সিজোফ্রেনিয়া রোগটি নির্ণয়ের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা- নিরীক্ষা নেই। মনোরোগ বিশেষজ্ঞই সুস্পষ্টভাবে নির্ণয় করতে পারবেন যে- কারো মধ্যে সিজোফ্রেনিয়া আছে কি না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসা এবং অন্যান্য সহায়ক পরিচর্যা পেলে ২৫ শতাংশ রোগী প্রায় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ রোগী সারা জীবন চিকিৎসা গ্রহণ করে মোটামুটি স্বাভাবিক জীবন যাপনের উপযোগী হয়, ২০ শতাংশ রোগ রোগী অপরের ওপর নির্ভরশীল থেকে ওষুধ ও নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে মোটামুটি সুস্থ থাকে। আর বাদবাকি ১০ থেকে ১৫ শতাংশ রোগী সব ধরনের চিকিৎসা ও সহায়তা পাওয়ার পরও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারে না। তাকে প্রায় সারা জীবন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। আবার এদের একটি অংশ আত্মহত্যা করে। সঠিক সময় রোগটি চিহ্নিত হলে এবং যথাযথ চিকিৎসা পেলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সিজোফ্রেনিয়া রোগীর জন্য আবিষ্কৃত সব ধরনের ওষুধ ও চিকিৎসা বাংলাদেশে সহজলভ্য। এ রোগের চিকিৎসায় বিপুল অর্থ খরচের প্রয়োজন হয় না ; কিন্তু রোগীর কর্মক্ষমতা নষ্ট হওয়ার কারণে পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এই চাপ মোকাবিলায় চিকিৎসার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাকে কর্মক্ষম রাখার চেষ্টা করতে হয়। অনেক সময় নানা কুসংস্কারের কারণে বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার বিপরীতে অপচিকিৎসা গ্রহণের কারণে রোগটি আরো জটিল হয়ে ওঠে ।রোগের লক্ষন এবং এ সম্পর্ক আরো জানুন...

9708 views Answered

Related Questions

Next steps