1 Answers

আল্লাহ, রাহমান, সুব্বূহ, কুদ্দূস, গাফূর ইত্যাদি নামগুলো মহান আল্লাহর অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ গুণবাচক নাম। তবে কেবল ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাহমান, ইয়া সুব্বূহ, ইয়া কুদ্দূস, ইয়া আল্লাহ, ইয়া রাহমান, ইয়া যালজালি ওয়াল ইকারাম...এভাবে যিকির করা ঠিক নয়। অনেক আলেম এটিকে বিদআত বলেছেন। কেননা, হাদীসে এভাবে যিকির করার কথা বর্ণিত হয় নি। আর এ ধরণের যিকিরগুলো পূর্ণ অর্থবোধক বাক্য নয়। এতে উপকারী কোন অর্থও প্রকাশ পায় না। কেননা এই নামগুলো উল্লেখ করে আল্লাহ তাআলাকে ডেকে যদি কোন আবেদন বা প্রার্থনা পেশ না করা হয়, তবে এই ডাকটাই অনর্থক হয়ে যায়। তাই যদি এভাবে বলা হয় তাহলে যথার্থ হবে। যেমন, - ইয়া গাফূর, ইগফির লী (হে ক্ষমাশীল আমাকে ক্ষমা করে দাও)। - ইয়া রাহমান, ইরহামনী (হে দয়াময়, আমার প্রতি দয়া করো) । - ইয়া রাযযাক, উরযুকনী (হে খাদ্যদাতা, আমাকে খাদ্য দান করো।) এভাবে আল্লাহ তাআলার নাম ধরে ডাকার পর নিজের চাওয়া-পাওয়া তুলে ধরতে হবে। এটাই হল সঠিক পদ্ধতি। কেননা তখন তা হবে অর্থবোধক বাক্য যার মাধ্যমে আল্লাহকে ডাকার উদ্দেশ্য প্রকাশ পাবে। আল্লাহু আলাম। এ ছাড়াও হাদীসে সুবহান আল্লাহ, আল হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লাইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি অসংখ্য যিকির বর্ণিত হয়েছে। আমাদের উচিৎ উক্ত মাসনূন যিকিরগুলো যত্নের সাথে পাঠ করা ।

8774 views

Related Questions