1 Answers
স্বামী মারা যাবার পর দ্বিতীয় বিবাহ করার পূর্ণ অধিকার স্ত্রীর আছে। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেন, وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ۖ فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِي أَنفُسِهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ ۗ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করবে এবং নিজেদের স্ত্রীদেরকে ছেড়ে যাবে, তখন সে স্ত্রীদের কর্তব্য হলো নিজেকে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে রাখা। তারপর যখন ইদ্দত পূর্ণ করে নেবে, তখন নিজের ব্যাপারে নীতি সঙ্গত ব্যবস্থা নিলে কোন পাপ নেই। আর তোমাদের যাবতীয় কাজের ব্যাপারেই আল্লাহর অবগতি রয়েছে। (সূরা বাকারা ২৩৪) হাদিস শরিফে এসেছে, উম্মু সালামাহ রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, কোনো বান্দার ওপর মুসীবাত আসলে যদি সে বলে– إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا إِلاَّ أَجَرَهُ اللَّهُ فِي مُصِيبَتِهِ وَأَخْلَفَ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا অর্থাৎ- আমরা আল্লাহর জন্যে এবং আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমাকে এ মুসিবতের বিনিময় দান করুন এবং এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করুন। তবে আল্লাহ তাকে তার মুসিবতের বিনিময় দান করবেন এবং তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করবেন। উম্মু সালামাহ রাযি. বলেন, এরপর যখন (আমার স্বামী) আবূ সালামাহ ইনতিকাল করলেন, আমি ঐরূপ দোয়া করলাম যেরূপ রাসূলুল্লাহ ﷺ আদেশ করেছেন। অতঃপর মহান আল্লাহ আমাকে তার চেয়েও উত্তম নেয়ামত অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে স্বামীরূপে দান করলেন। (মুসলিম ২০১২) উম্মু সালামাহ রাযি. যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৫৫ থেকে ৬০ বছর এবং তাঁর সন্তান ছিল দুই ছেলে ও দুই মেয়ে অর্থাৎ, তিনি তখন চার সন্তানের মা ছিলেন। (মালিক গোলাম মুরতাযা কৃত ‘তাআ’দ্দুদু যাওজাতির রাসূল ﷺ’ ৫৯/১৫৮)