1 Answers
ট্রান্সফর্মার যেহেতু ভোল্টেজের রূপান্তর করে, তাই এটা দিয়ে ভোল্টেজ/বৈদ্যুতিক বিভব এর মান/পরিমাণ বাড়ানো এবং কমানো যায়। তাত্ত্বিক ভাবে আমরা জানি, লস বা, ক্ষতি = কারেন্ট x কারেন্ট x রেজিস্টেন্স তাই যখন অনেক বেশি দূরত্বে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হয় তখন ট্রান্সমিশন লাইনে কারেন্টের মান যত কম হবে লস ও তত কম হবে। রেজিস্টিভিটি/রোধকত্বের মান নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রত্যেক পদার্থের জন্য নির্দিষ্ট, তাই R = ρL/A এখানে, রো (ρ) = রোধকত্ব L (length) = পরিবাহী তারের দৈর্ঘ্য A (area) = পরিবাহী তারের ক্ষেত্রফল তাই বলা যায় রেজিস্টেন্সের মান নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের তারের জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একই থাকে, অর্থাৎ এর পরিমানও নির্দিষ্ট। তাই বেশি দূরে বিদ্যুৎ নিয়ে যেতে হলে অবশ্যই কারেন্টের মান কমানো প্রয়োজন। এই কাজ করার জন্য প্রয়োজন ট্রান্সফর্মার। ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজের মান অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়, তাই ক্ষমতার সামঞ্জস্যতা বজায় রাখার জন্য (যেহেতু ক্ষমতা = ভোল্টেজ x কারেন্ট )আপনা থেকেই কারেন্টের মান কমে যায়। কিন্তু বাসা-বাড়িতে তো আর উচ্চ বিভবের প্রয়োজন নেই, তাই সেই হাই ভোল্টেজ কে লো ভোল্টেজে রূপান্তর করার জন্য আবার ব্যবহৃত হয় ট্রান্সফর্মার। কিছু ছোট ছোট ট্রান্সফর্মার রয়েছে হাই ভোল্টেজ এবং হাই ফ্রিকোয়েন্সি লো পাওয়ার ট্রান্সফর্মার, সেগুলো অবশ্য ফ্রিকোয়েন্সিতে খাটানো হয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy