2 Answers

সাধারনভাবে বলা যায় ,যে শাস্ত্রের সাহায্যে ভাষার স্বরূপ ও গঠণপ্রকৃতি নির্ণয় করে সুবিন্যস্ত করা যায় এবং ভাষা শুদ্ধরূপে বলতে, পড়তে এবং লিখতে পারা যায়, তাকে ব্যাকরণ বলে। ব্যাকরণের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ : ‘ ব্যাকরণ ’ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ এবং এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হচ্ছে — বিশ্লেষণ । শব্দটির ব্যুৎপত্তি এরকম -  বি+আ+√কৃ+অন = ব্যাকরণ ব্যাকরণ যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশেষভাব বিশ্লেষণ। ব্যাকরনকে বলা হয় ভাষার সংবিধান। ব্যাকরণ না জানলেও ভাষা ব্যবহার করা সম্ভব তবে শুদ্ধভাবে মনের ভাব বা ভাষা প্রকাশ করতে চাইলে আপনাকে ব্যাকরণের নিয়ম-কানুন জানা আবশ্যক। ইংরেজিতে আমরা ব্যাকরণকে বলে থাকি Grammar যার অর্থ ‘শব্দশাস্ত্র’। যে শাস্ত্রে কোনা ভাষার বিভিন্ন উপাদানের প্রকৃতি ও স্বরূপর বিচার-বিশ্লেষণ করা হয় এবং বিভিন্ন উপাদানের সম্পর্ক নির্ণয় ও প্রয়োগবিধি বিশদভাবে আলোচিত হয়, তাকে ব্যাকরণ বলে

3694 views

ব্যাকরণের সংজ্ঞা- যে শাস্ত্র পাঠ করলে শদ্ধভাবে লিখতে,পড়তে ও বলতে পারা যায়,তাকে ব্যাকরণ বলে। $ ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়ের মতে,যে শাস্ত্রে কোন ভাষাকে বিশ্লেষণ করে তার স্বরূপ, আকৃতি ও প্রয়োগনীতি বুঝিয়ে দেয়া হয়, সেই শাস্ত্রকে বলে সেই ভাষার ব্যকরণ। $ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহের মতে,যে শাস্ত্র জানলে ভাষা শুদ্ধরূপে লিখতে, পড়তে ও বলতে পারা যায় তার নাম ব্যাকরণ। $ ড. সুকুমার সেনের মতে,যে শাস্ত্রে ভাষার স্বরুপ ও প্রকৃতির বিচার ও বিশ্লেষণ আছে এবং যে শাস্ত্রে জ্ঞান থাকলে ভাষা শুদ্ধরূপে বলতে,লিখতে শিখতে পারা যায়,তাকে ভাষার ব্যাকরণ বলে। উপরিউক্ত পণ্ডিতগণের মতামতের প্রেক্ষিতে বলা যায়, যে শাস্ত্র পাঠ করলে ভাষাকে বিশ্লেষণ করে এর বিভিন্ন উপদানের স্বরুপ ও প্রকৃতি নির্ণয় করা যায়, তাকে ব্যাকরণ বলে।

3694 views