1 Answers
সুসঙ্গত উৎস থেকে নিঃসৃত দুটি আলোকতরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে কোন বিন্দুর আলোকতীব্রতা বৃদ্ধি পায়,আবার কোন বিন্দুর তীব্রতা হ্রাস পায়। এর ফলে কোন তলে পর্যায়ক্রমে আলোকজ্জ্বল ও অন্ধকার অবস্থার সৃষ্টি হয়। আলোর তীব্রতার এই পর্যায়ক্রমিক তারতম্যকে আলোর ব্যতিচার বলে৷ ব্যতিচার ২ ধরনের হতে পারে। ক। গঠনমূলক ব্যতিচার খ। ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার ক। গঠনমূলক ব্যতিচার: দুটি উৎস থেকে নিঃসৃত প্রায় সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও সমান বিস্তার বিশিষ্ট দুটি আলোকতরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে সমদশায় মিলিত হলে কোনো বিন্দুর আলোক তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে উজ্জ্বল আলোর সৃষ্টি হয়,এই ঘটনাকে গঠনমূলক ব্যতিচার বলে। খ। ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার: দুটি উৎস থেকে নিঃসৃত প্রায় সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও সমান বিস্তার বিশিষ্ট দুটি আলোকতরঙ্গ উপরিপাতনের ফলে বিপরীত দশায় মিলিত হলে কোন বিন্দুর আলোক তীব্রতা হ্রাস পায় ও অন্ধকার হয়ে যায়। এই ঘটনাকে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার বলে। ব্যতিচারের শর্ত: ১। আলোর উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে। ২। উৎস দুটির বিস্তার সমান বা প্রায় সমান হতে হবে। ৩। উৎস দুটি কাছাকাছি থাকতে হবে। ৪। উৎস দুটি খুব সুক্ষ হতে হবে।