2 Answers

এই মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু কণাদ্বয়ের ভরের গুণ ফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।  ঠিক এই কারনে মহাবিশ্বের বৃহওআকারের সকল বস্তু গোল হয়। পৃথিবীর একখন্ড মাটিকেও পৃথিবী নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে। এই আর্কষন বল ছোট বস্তুুর কম থাকায় সেটা গোল হয়না।নিজেকে গোল করার ক্ষমতা বস্তুটির নেই। পৃথিবীর আকার অনেক বড় হওয়ায় তার আকৃতি গোলাকার। তেমনি ভাবে সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র সব গোল হয় নিজেদের বিশাল শক্তিশালী মহাকর্ষ বলের কারনে। এর মানে প্রতিটি বস্তু নিজেকে গোলাকাকৃতি দিতে চায়। বিশালাকার বস্তুগুলো এটা করতে পারে। তাই পৃথিবী গোল। পৃথিবীকে যদি হটাৎ চারকোনা বানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেটা কিছু দিন পর আবার গোল হয়ে যাবে। শুধুমাত্র মহাকর্ষের কারনে।

5533 views Answered

এই মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু কণাদ্বয়ের ভরের গুণ ফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।  ঠিক এই কারনে মহাবিশ্বের বৃহওআকারের সকল বস্তু গোল হয়। পৃথিবীর একখন্ড মাটিকেও পৃথিবী নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে। এই আর্কষন বল ছোট বস্তুুর কম থাকায় সেটা গোল হয়না।নিজেকে গোল করার ক্ষমতা বস্তুটির নেই। পৃথিবীর আকার অনেক বড় হওয়ায় তার আকৃতি গোলাকার। তেমনি ভাবে সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র সব গোল হয় নিজেদের বিশাল শক্তিশালী মহাকর্ষ বলের কারনে। এর মানে প্রতিটি বস্তু নিজেকে গোলাকাকৃতি দিতে চায়। বিশালাকার বস্তুগুলো এটা করতে পারে। তাই পৃথিবী গোল। পৃথিবীকে যদি হটাৎ চারকোনা বানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সেটা কিছু দিন পর আবার গোল হয়ে যাবে। শুধুমাত্র মহাকর্ষের কারনে।

5533 views Answered

Next steps