3 Answers

আমাদের চামড়ায় রয়েছে সিবেসিয়াস গ্রন্থি (Sebaceous Gland), যা থেকে এক রকম তেলতেলে জিনিস বেরিয়ে এসে ঘামের সাথে মিশে গোটা চামড়ায় ছড়িয়ে যায় । এর ফলে চামড়া ফাটে না । শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাবার ফলে আমাদের ঘাম কম হয় । তাছাড়া চারপাশটা ঠাণ্ডা থাকে বলে শরীরের তাপমোচনের জন্য ঘামের বিশেষ দরকার হয় না । সিবেসিয়াস গ্রন্থি (Sebaceous Gland) থেকে বেরিয়ে আসা তেলতেলে পদার্থ শরীরের চামড়ায় ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়তে পারে না । শরীরের শুকনো জায়গাগুলো তখন কুঁচকে গিয়ে ফেটে যায় । শরীরের অন্য জায়গার তুলনায় ঠোঁটের চামড়া পাতলা । তাছাড়া ঠোঁট দুটো নাকের ফুটোর ঠিক নিচে থাকার জন্য নিঃশ্বাসের গরম বাতাস ঠোঁট দুটোকে আরও শুকিয়ে দেয় । এই কারণেই শরীরের অন্য জায়গার তুলনায় শীতকালে ঠোঁট বেশি ফাটে।

4885 views

শীতকালে বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে। এ কারণে ঠোঁট ও চামড়া শুকিয়ে ফেটে যায়।

4885 views

আমাদের চামড়ায় রয়েছে সিবেসিয়াস গ্রন্থি (Sebaceous Gland), যা থেকে এক রকম তেলতেলে জিনিস বেরিয়ে এসে ঘামের সাথে মিশে গোটা চামড়ায় ছড়িয়ে যায় । এর ফলে চামড়া ফাটে না । শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাবার ফলে আমাদের ঘাম কম হয় । তাছাড়া চারপাশটা ঠাণ্ডা থাকে বলে শরীরের তাপমোচনের জন্য ঘামের বিশেষ দরকার হয় না । সিবেসিয়াস গ্রন্থি (Sebaceous Gland) থেকে বেরিয়ে আসা তেলতেলে পদার্থ শরীরের চামড়ায় ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়তে পারে না । শরীরের শুকনো জায়গাগুলো তখন কুঁচকে গিয়ে ফেটে যায় । শরীরের অন্য জায়গার তুলনায় ঠোঁটের চামড়া পাতলা । তাছাড়া ঠোঁট দুটো নাকের ফুটোর ঠিক নিচে থাকার জন্য নিঃশ্বাসের গরম বাতাস ঠোঁট দুটোকে আরও শুকিয়ে দেয় । এই কারণেই শরীরের অন্য জায়গার তুলনায় শীতকালে ঠোঁট বেশি ফাটে।

4885 views