1 Answers

 ১৮৯৭ সালে প্রণীত General Clauses Act-1897 অনুসারে যিনি ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করে বিচারকার্য পরিচালনা করেন তিনিই ম্যাজিস্ট্রেট। ( ক্ষমতা প্রয়োগের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট তিন শ্রেণীতে বিভক্ত, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রত্যেক জেলায় একজন ডেপুটি কমিশনার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে, এডিশনাল ডেপুটি কমিশনার এডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এবং জয়েন্ট ডেপুটি কমিশনার জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এঁরা প্রত্যেকেই প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ভোগ করেন। এঁদের পাশাপাশি মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে প্রত্যেক জেলায় প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর আরও কয়েকজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগপ্রাপ্ত হন। জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত অন্য সকল ম্যাজিস্ট্রেট কার্যত ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে থাকেন যদিও এডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট এবং জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট কার্যত ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কার্যবণ্টনও করতে পারেন। একজন প্রথম শ্রেণী বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট একটি উপজেলা/থানার দায়িত্বে বহাল থাকেন। এধরনের একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে উপজেলা/থানা ম্যাজিস্ট্রেট বলা হয়। তিনি ঐ থানার যেকোন অংশে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে নিতে পারেন। সরকার যে-কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে অতিরিক্ত ক্ষমতাও প্রদান করতে পারে। মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে এধরনের এলাকা বা তার যেকোন অংশে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, এডিশনাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। এডিশনাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্য সব মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে থাকেন এবং তিনিই অধীনস্থ ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেন।)

5240 views