1 Answers

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের ধারা-৯:-"যদি কোন শিক্ষার্থী সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্যের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেন,এ সংগঠনের কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির সাথে সচেতন ভাবে একমত হন,ইসলামের প্রাথমিক দায়িত্ব সমূহ পালন করেন এবং সংগঠনের সামগ্রিক তৎপরতায় পূর্ণভাবে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে তিনি এ সংগগঠনের সাথী হতে পারবেন"। ধারা -১০:সাথী হতে ইচ্ছুক কোন শিক্ষার্থী কেন্দ্রীয় সংগঠন কর্তৃক নির্ধারিত সাথী হবার আবেদনপত্র পূরণ করে তা কেন্দ্রীয় সভাপতি অথবা তার কোন স্থানীয় প্রতিনিধির কাছে জমা দেবেন এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি বা তার স্থানীয় প্রতিনিধি সে আবেদনপত্র মন্জুর করে নেবেন"। যদি আপনি ৯ নং ধারা পালন করে থাকেন এবং সিলেবাসে বর্ণিত নির্ধারিত কুরআন,হাদিস এবং ৩০টি ইসলামি সাহিত্য অধ্যায়ন করেন, তাহলে স্থানীয় দায়িত্বশীলের মাধ্যমে সাথী কন্টাক্ট দেওয়ার জন্য আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে কন্টাক্ট দিতে হবে।কন্টাকে উত্তীর্ণ হলে আপনি সাথী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং আপনার আবেদন পত্র কেন্দ্রীয় সভাপতির কাছে যাবে।সভাপতি মন্জুর করলে, কিছুদিন পর আবার আপনাকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির কাছে কন্টাক্ট দিতে হবে। কন্টাক্টে উত্তীর্ণ হলে আপনাকে সাথী শপথ দেওয়া হবে।

অশ্যই:-১.সহীহ কুরআন তেলাওয়াত জানতে হবে। ২.জামায়াতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে। ৩.মাদক থেকে মুক্ত হতে হবে।

 ৪.সকল প্রকার অনৈসলামিক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। 

৫.কবীরা গুনাহ থেকে মুক্ত থাকতে হবে।

 ৬.ছাত্র হতে হবে। 

এছাড়াও আরও শর্ত আছে,যা সংবিধানের ধারার মধ্যে নিহিত আছে।

2429 views

Related Questions