1 Answers
আমাদের সূর্য্যের মতো অসংখ্য নক্ষত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সৌরজগতের নানা জায়গায়। এসব নক্ষত্র জ্বলতে জ্বলতে একসময় তার সব জ্বালানি পুড়িয়ে শেষ করে ফেলে এবং সংকুচিত হতে থাকে। কিন্তু সংকুচিত জায়গা পূরণ করার মতো কোন কিছু আশেপাশে থাকে না। যারফলে বিবর্তনের সর্বশেষ পর্যায়ে সুপারনোভা নামে একটি বিস্ফোরন ঘটে এবং সৃষ্টি হয় ব্লাক হোল (black hole) বা কৃষ্ণগহবরের।
এই ব্লাক হোলের মহাকর্ষীয় আকর্ষন এতই বেশি যে এর থেকে আলোও বের হতে পারে না। যার কারনে ব্লাক হোল কখনও দেখা যায় না।
তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে, ব্লাক হোল দেখা না গেলে এর অস্তিত্ব বোঝা যায় কি করে?
মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে, প্রায় সময়েই মহাকাশে প্রচুর তারকারাশি দেখা যায় যারা কোন একটি বিশেষ বিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে অথবা গ্যাসীয় বস্তু দেখা যায় যা কোন বিন্দুকে কেন্দ্র করে অবস্থান করছে। এই বিশেষ বিন্দুগুলোই হল ব্ল্যাক হোল যেগুলোকে দেখা যাচ্ছে না ঠিকই কিন্তু তারা তারকারাশি বা গ্যাসীয় বস্তুগুলোর অবস্থান আর তাদের গতি-প্রকৃতির মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে।
প্রথমেই বলেছিলাম, নক্ষত্র সংকুচিত হয়েই ব্লাক হোলের সৃষ্টি হয়। এই সংকুচিত হওয়ার মাত্রা কতটুকু? আসুন দেখি।
আমাদের সূর্যের ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৯৬,০০,০০০ কিলোমিটার। এই বিশালাকার আয়তনকে যদি কোনোভাবে মাত্র ১০ কিলোমিটারে নামিয়ে আনা যায়, তাহলে সেটি একটি ব্ল্যাক হোলে পরিণত হবে। আবার আমাদের পৃথিবীকে যদি মাত্র ০.৮৭ সেন্টিমিটার এ নামিয়ে আনা যায়, তাহলে পৃথিবীও একটি ক্ষুদ্র ব্ল্যাক হোলে পরিণত হতে পারে।
তবে, পরিশেষে একটা কথা বলা যায়। ব্লাক হোল সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা এখনও পর্যন্ত খুব কমই জানতে পেরেছেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy