2 Answers
জান্নাতের নে‘মতসমূহের মধ্যে নহর অন্যতম। এ নদীগুলো কিসের হবে তা পবিত্র কুরআনে এভাবে এসেছে, ‘মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের অঙ্গীকার দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হ’ল, সেখানে থাকবে নির্মল পানির নহরসমূহ, থাকবে দুধের নহরসমূহ যার স্বাদ হবে অপরিবর্তনীয় এবং পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরসমূহ এবং পরিশোধিত মধুর নহরসমূহ’ (মুহাম্মাদ ১৫)। উক্ত নহরসমূহ প্রবাহিত হবে জান্নাতের তলদেশ দিয়ে (রা‘দ ৩৫)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আমি জান্নাতে পরিভ্রমণরত ছিলাম এমতাবস্থায় এক নহরের নিকট পৌঁছলাম যার দু’পার্শ্বদেশ অগণিত তারকা সদৃশ বৃত্তাকার মুক্তায় মোড়ানো। আমি জিবরীলকে জিজ্ঞেস করলাম এটা কি? তিনি বললেন, এটাই হ’ল ‘কাওছার’ যা আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন। এই বলে জিবরীল তাতে আঘাত করলে আমি দেখলাম তার মাটি হ’ল মিসকে আযফার অর্থাৎ খুবই উচ্চমানের সুগন্ধিময় (বুখারী হা/৪৯৬৪; আহমাদ হা/১৩১৭৯)।
জান্নাতের নিয়ামতগুলোর মধ্যে নহর অন্যতম যেগুলো জান্নাতের তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে। এ নদীগুলো কিসের হবে তা পবিত্র কোরআনে এভাবে এসেছে, ‘মুত্তাকীদের যে জান্নাতের অঙ্গীকার দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হলো, সেখানে থাকবে নির্মল পানির নহরগুলো, থাকবে দুধের নহরগুলো যার স্বাদ হবে অপরিবর্তনীয় এবং পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরগুলো এবং পরিশোধিত মধুর নহরগুলো’। উক্ত নহরগুলো প্রবাহিত হবে জান্নাতের তলদেশ দিয়ে। রাসূল (সা.) বলেন, আমি জান্নাতে পরিভ্রমণরত ছিলাম এমতাবস্থায় এক নহরের কাছে পৌঁছলাম, যার দু’পার্শ্বদেশ অগণিত তারকাসদৃশ বৃত্তাকার মুক্তায় মোড়ানো। আমি জিবরাইলকে জিজ্ঞেস করলাম, এটা কী? তিনি বললেন, এটাই হলো ‘কাওসার’, যা আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন। এই বলে জিবরাইল তাতে আঘাত করলে আমি দেখলাম তার মাটি হলো মিসকে আজফার অর্থাৎ খুবই উচ্চমানের সুগন্ধিময়। “পরহেযগারদেরকে বলা হয়ঃ তোমাদের পালনকর্তা কি নাযিল করেছেন? তারা বলেঃ মহাকল্যাণ। যারা এ জগতে সৎকাজ করে, তাদের জন্যে কল্যাণ রয়েছে এবং পরকালের গৃহ আরও উত্তম। পরহেযগারদের গৃহ কি চমৎকার? সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায়; এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে ।” -(সূরা নাহল, আয়াত: ৩০-৩১) “পরহেযগারদের জন্যে প্রতিশ্রুত জান্নাতের অবস্থা এই যে, তার নিম্নে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। তার ফলসমূহ চিরস্থায়ী এবং ছায়াও। এটা তাদের প্রতিদান, যারা সাবধান হয়েছে এবং কাফেরদের প্রতিফল অগ্নি ।” -(সূরা রা’দ, আয়াত: ৩৫)