1 Answers
দেশে দেশে আকাশপথে পৌঁছাবে ভ্যাকসিন। অর্থাৎ বিমানযোগে। ইউপিএস, ডিএইচএল, ফেডেক্সের মতো পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে বড় ভূমিকা রাখবে।
আবার যেসব যাত্রীবাহী এয়ারলাইনস পণ্য পরিবহনের সুবিধা দেয়, তারাও এতে যুক্ত থাকবে। তবে ভ্যাকসিন পরিবহনে বড় সমস্যা প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখা। ভ্যাকসিন সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ফাইজারের ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করতে হয় শূন্যের কমপক্ষে ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে, অর্থাৎ আলট্রা কোল্ড স্টোরেজে। সাধারণ রেফ্রিজারেটরে তা পাঁচ দিনের বেশি রাখা যায় না বলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে লেখা আছে। আর মডার্নার ভ্যাকসিন শূন্যের ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে ছয় মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। রেফ্রিজারেটরে রাখা যায় বড়জোর এক মাস। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন অবশ্য ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা যাবে বলে জানা গেছে।
ভ্যাকসিন পরিবহন হবে কীভাবে? ভ্যাকসিন পরিবহনের সময় এমন কনটেইনার ব্যবহার করতে হবে, যেটি প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখতে এবং প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। আর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যাপার তো আছেই।
পশ্চিমা দেশগুলোতে ইদানীং বিশেষায়িত ফ্রিজ এবং ড্রাই আইসের চাহিদা বেড়েছে বলে সংবাদ প্রতিবেদনগুলোতে দেখা যাচ্ছে। এর কারণ মূলত ভ্যাকসিন পরিবহনের সময় প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখতে ড্রাই আইস ব্যবহার করা হয়। আর হাসপাতাল কিংবা যে কেন্দ্রগুলো থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে, সেখানে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও ভ্যাকসিন সংরক্ষণে বিশেষায়িত ফ্রিজগুলো ব্যবহার করা হবে। ফাইজারের তুলনায় মডার্নার ভ্যাকসিন পরিবহন অবশ্য কিছুটা সহজ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy