পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় নাটকের রচয়িতা কে?

Md. Faisal Kabir
BSC
Assistant Manager Freight Forwarding
#সাধারণ জ্ঞান
1923 views

2 Answers

Md. Faisal Kabir
BSC
Assistant Manager Freight Forwarding

সৈয়দ শামসুল হক

1923 views Answered

আজ এই  মহান দিনে আমাকে কিছু বলার সুযোগ করে দেয়ার জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আজকের এই অনুষ্ঠানের সভাপতি। এবং মঞ্চে উপবিষ্ট আমার শ্রেদ্ধেও ব্যক্তিবর্গ। 

শুরুতেই সবার প্রতি আমার সশ্রদ্ধেও সালাম।

আজ ২৬ মার্চ ২০২০ সাল। মহান স্বাধীনতা দিবস। আজ থেকে ৪৮ বছর আগে আজকের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীদের থেকে দেশ কে শত্রু মুক্ত করেন আমাদের সূর্য্য সন্তানেরা। দীর্ঘ নয়টি মাস ৩০ লক্ষ্য মা বোনের সম্ভমের বিনিময়ে অর্জিত এ স্বাধিনতা।

আনন্দ-বেদনার মহাকাব্য যেদিন থেকে চিরকালের জন্য বইতে শুরু করল বাঙালির বুকে, মহান সেই স্বাধীনতা দিবসের ৪৮ তম বার্ষিকী আজ। স্বাধীনতার এই দিনে বাঙালি জাতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করবে দেশমাতৃকার জন্য আত্মদান করা বীর সন্তানদের। স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনার এই সময়টি জাতি নিবিড় আবেগের সঙ্গে স্মরণ করে।

প্রতিবছর পেছনে তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায় ২৬ মার্চ। স্বাধিকারের দাবিতে জেগে ওঠা নিরীহ বাঙালির ওপর একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চালিয়েছিল নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সেই মৃত্যুর বিভীষিকা থেকে এক হয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল দেশের মানুষ।

 

পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নানা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে শুরু করে বাঙালিরা। সেই পটভূমিতে বায়ান্নতে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধিকারের চেতনার উন্মেষ ঘটে পূর্ব বাংলায়। ধাপে ধাপে তা স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপ নেয়।

 

সামরিক শাসন, শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফার আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচনসহ নানা ঘটনাপ্রবাহের ভেতর দিয়ে এগিয়ে আসে একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের আহ্বানে জেগে ওঠে নিরীহ বাঙালি। যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে তারা শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নেয়। ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকায় চালায় বর্বর গণহত্যা। ওই রাতেই গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু। তার আগেই বার্তা পাঠিয়ে দেন স্বাধীনতার ঘোষণার। এরপর গঠিত হয় প্রবাসী সরকার। তাদের নেতৃত্বে সংগঠিত রূপ নেয় মুক্তিযুদ্ধ। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের আত্মদান, তিন লাখ নারীর সম্ভ্রম আর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বিজয়। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।

মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দেশেরই কিছু লোক বিশ্বাসঘাতকতা করে হাত মিলিয়েছিল পাকিস্তানি ঘাতকদের সঙ্গে। তারা অংশ নেয় গণহত্যা, নারী নির্যাতন ও লুটতরাজ-অগ্নিকাণ্ডের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে। সেই চিহ্নিত শত্রুদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রত্যয় নিয়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে স্বাধীনতা বা বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার অবশেষে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে।

মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ছিল বিশাল। বাঙালি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র চেয়েছিল। চেয়েছিল এমন একটি রাষ্ট্র, যা প্রতিষ্ঠিত হবে কিছু আদর্শের ভিত্তির ওপর। স্বাধীনতা দিবস আবার এসেছে অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত সেসব আদর্শের দিকে ফিরে তাকানোর দাবি নিয়ে আজ আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি।

বাংলাদেশ চিরজীবি হক।

 

1923 views Answered

Next steps