1 Answers
যথার্থ মঙ্গল সমগ্র জগতের কল্যাণ সাধন করে। পদ্মপুরাণে।
বলা হয়েছে যে মানুষ কৃষ্ণভাবনায় ভাবিত হয়ে ভগবক্তি সাধনে তৎপর হয়েছেন। তিনি সমস্তু জগতের সর্বোত্তম সেবা করতে করতে সমস্তু জীবের পরম কল্যাণ সাধন করেন।তিনি কেবল মানব সমাজেরই নয়, গাছপালা, পশুপাখীদেরও কল্যাণ সাধন করেন। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু অথন ঝাড়ির জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তার একটি প্রত্যক্ষ দৃষ্টান্ত দিয়ে গেছেন। সেই বনের বাঘ, হাতি, হরিণাদি সমস্ত বন্যারা তার সঙ্গে “হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করতে করতে তা করেছিল।
ডুবিদ্যার পরিপ্রেক্ষিতে উচুশিশিত না হলেও কৃষ্ণভাবনাময় ভাবিত যুবক পরী গমন, দতক্রীড়া, মাংসাহার ও মদ্যপান এই সমস্ত পাপকর্ম থেকে অনায়াসে নিবৃত্ত হতে পারে, কিন্তু যারা কৃষ্ণভাবনায় ভাবিত নয়, তারা শিক্ষিত্রে হওয়া সত্ত্বেও প্রায়ই মদ্যপায়ী, মাংসাহারী, লম্পট ও জুয়াড়ী হয়। শ্রীকৃষ্ণের 'ভজ্ঞ হওয়ার ফলে মানুষের সর্বোচ্চ চরিত্র বিকশিত হয়।