3 Answers
মেয়েলি রোগ মূত্রাশয় জনিত কারণে হয়ে থাকে ।অনিয়মিত মাসিকের ফলে হয়।ঘনঘন প্রস্রাবাও এর অন্যতম কারণ ।হাচিঁ, কাশি দিলে প্রস্রাব বেরিয়ে আসে ।যদিও একজন স্বাভাবিক মানুষের এই সবে প্রস্রাব বের হয় না। এছাড়া এলার্জি,হাপানি জনিত কারণে রোগটা বেড়ে যায়। দ্রুত চিকিৎসা না করানোর জন্য জটিল আকার ধারণ করে , তখন আর ডাক্তারের তেমন কিছু করার থাকে না ।
মেয়েলি রোগঃ
মেয়েলি যৌনরোগগুলোর সাথে পুরুষের যৌনরোগের তেমন কোনো পার্থক্য নেই। শুধু পার্থক্য এটুকুই যে মেয়েরা যৌনব্যাধির শিকার হয়। প্রধানত তাদের স্বামীদের মাধ্যমে- বিশেষ করে আমাদের দেশে এখনো যেখানে মেয়েরা বলতে গেলে স্বামী-অন্তপ্রাণ। অথচ রোগ প্রকাশ পেলে এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে এ মেয়েদেরকেই নানারকম গুঞ্জন ও গঞ্জনার শিকার হতে হয়। তা ছাড়া কোনো মেয়েই অযথা এ ধরনের একটি রোগে আক্রান্ত হবে এরকম আশঙ্কা করে না, ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগের প্রাথমিক অবস্থায় তারা সম্পূর্ণ অজ্ঞ থাকে।
মেয়েলি যৌনরোগগুলো প্রধানত হচ্ছে : ১। গনোরিয়া, ২। সিফিলিস, ৩। ক্ল্যামিডিয়া, ৪। ইউরোথ্রাইটিস, ৫। ট্রাইকোমোনিয়াসিস, ৬। মোনিলিয়াসিস ইত্যাদি। এর সবরকম যৌনসঙ্গমের মাধ্যমে একজন থেকে অপরজন সংক্রমিত হয়। উপরিউক্ত রোগগুলোতে আক্রান্ত সব মহিলার ক্ষেত্রেই প্রথমত যে লক্ষণগুলো দেখা যায় সেগুলো হয় :
১। ডিসইউরিয়া বা মূত্রত্যাগে অত্যন্ত জ্বালাপোড়া, বার বার অল্প অল্প করে প্রস্রাব হওয়া এবং প্রস্রাব করে আসার পরপরই প্রস্রাবের বেগ অনুভব করা।
২। যোনিপথে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত অনুভব করা এবং ক্ষত স্থান থেকে পুঁজ ও রক্ত নির্গত হওয়া এবং প্রদাহ অনুভব করা।
৩। ক্লামিডিয়া ইউরোথ্রাইটিসে আক্রান্ত হলে সব যোনিপথ অসংখ্য ছোট ও বড় গ্রোথ বা গোটা ভরে যায়, এ ছাড়া যোনিপথ চুলকায় এবং রোগিণী বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হয়।
ইউরোথ্রাইটিসে আক্রান্ত একজন মহিলা মূত্রনালী সংক্রমণ ও প্রদাহের শিকার হয়। ট্রাইকোমোনাস ভেজাইনালিস ও মোনেলিয়াল ভেজাইনালিসে আক্রান্ত মহিলাদের যোনিপথে অসহনীয় চুলকানি হয় এবং দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব নির্গত হয়। গনোরিয়া রোগের জীবাণুর নাম নাসসেরিয়া গনোরি। সিফিলিসের জীবাণু স্পাইরোকিটা ব্যাকটেরিয়া, ইউরোথ্রাইটিস ও ক্ল্যামিডিয়া ভাইরাস সংক্রান্ত সংক্রমণ এবং ট্রাইকোমোনাস ভেজাইনালিসেস জীবাণু যথাক্রমে প্যারাসাইট বা পরজীবী ও ফাংগাস। তবে এ রোগের জীবাণু যাই থাকুক না কেন, এ সব মারাত্মক ছোঁয়াচে এবং কষ্টদায়ক রোগের প্রতিটির চিকিৎসাতেই স্বামী ও স্ত্রী দুইজনকেই চিকিৎসা করাতে হবে এবং চিকিৎসা চলাকালীন যৌনমিলন বন্ধ রাখতে হবে।
কারণ এ সব রোগ ছড়ায় যৌনমিলনের মাধ্যমে। আবার অনেক ক্ষেত্রে স্বামী বা পুরুষ সঙ্গী বা পুরুষ রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়, কিন্তু পুরোপুরিভাবে রোগাক্রান্ত হয় না। তারা শুধু কেরিয়ার বা রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। আবার যৌনমিলনের মাধ্যমে স্বামীর কাছ থেকে ট্রাইকোমোনাস বা মোনিলিয়াল ভোজানালিসের মতো কষ্টদায়ক রোগে আক্রান্ত হয় এবং আবার চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়।
আপনার প্রশ্নে একটু সমস্যা মনে হচ্ছে। মেয়েলী রোগ হচ্ছে মহিলাদের অতিরিক্ত যে অঙ্গ সমূহ যা পুরুষের নেই, এরকম অঙ্গের রোগ। এটা বিভিন্ন রকম হতে পারে। বিস্তারিত বা খোলামেলা আলোচনার জন্য ইনবক্স করুন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy