3 Answers

এটা অনাদীকাল থেকে চলে আসা প্রচলিত প্রথা। এর মুল কারনটা হচ্ছে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় দ্রুত মানসিক ও শারীরিকভাবে পরিপক্ক হয় আবার তারা ছেলেদের তুলনায় একটু আগেই বুড়িয়ে যায়, তাই দাম্পত্ত জীবনে বোঝা-পড়ার সুবিধার্থে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের বয়স 4-6 বছর বেশি হওয়াটাই উত্তম।

3861 views

ছেলেদেরকে পরিবারের সমস্ত দায়িত্ব নিতে হয়, জীবন চলার পথে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হয় যার কারনে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের বেশি অভিজ্ঞ হতে হয়।তাই ছেলেদের বয়স সাধারনত মেয়েদের চেয়ে একটু বেশী হয়।

3861 views

এটার জন্য সামাজিক বা ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা কিন্তু নেই, প্রাচীনকাল থেকে এটা অনেকটা রীতিমতো পালিত হয়ে আসছে। আসলে এ বিষয়টার মূলে রয়েছে পরিপক্বতা। একটা মেয়ে তার সমবয়সী ছেলে অপেক্ষা দ্রুত বয়ঃপ্রাপ্ত হয়। অন্যদিকে একটা ছেলে পরিপক্ব হওয়ার পরও সংসারের জীবিকানির্বাহ করার তাগিদে তাকে আগে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হয়। নিজের স্ত্রী-সন্তান পরিচালনা ও ভরণপোষণ করার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে করতে তার আরো কিছুটা সময় লেগে যায়। আরও একটা লক্ষণীয় বিষয় হলো, মেয়েদের ব্যাপারে পিতামাতার একটু দুশ্চিন্তা বা অন্যভাবে বললে "অবহেলা" থাকে, তাকে প্রটেক্ট করা তাদের জন্য একটু কষ্টকরই বটে, তাই যত তাড়াতাড়ি তাকে বিয়ে দেয়া যায় ততই মঙ্গল এরকম একটা ভাব চলে আসে। এ প্রেক্ষাপট গুলোই মূলত স্বামীস্ত্রীর বয়সের ব্যবধান থাকার ব্যাপারে একটা অঘোষিত রুল জারী করে রেখেছে...

3861 views

Related Questions