4 Answers

ভাই পায়ের গোড়ালী ফাটা দুর করতে আপনাকে

—নিয়মিত পা পরিষ্কার করতে হবে৷

—পা ধোয়ার সময় গরম পানি ব্যবহার করতে হবে।

— খালি পায়ে বাইরে যাওয়া বা হাটা যাবে না৷

—সবসময় নরম জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করতে হবে।

—রাতে পায়ে মোজা পরে শোবেন যাতে পায়ে ঠাণ্ডা না লাগে।

আপনি অলিভ'অয়েল ম্যাসাজ  করতে পারেন, প্রথমে পা পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় অলিভ অয়েল/নারিকেল তেল লাগিয়ে একজোড়া মোটা মোজা পরে সারারাত রেখে দিতে হবে। সকালবেলা হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিলেই গোড়ালির ফাটল কমে আসবে। গোসলের পর এ ম্যাসাজ করলেও অনেক কার্যকারীতা পাবেন৷

আপনি ভ্যাসলিন ও লেবুর রসের প্যাক  বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন৷ আপনার গোড়ালি পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম পানিতে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ১ টেবিল-চামচ ভ্যাসলিন ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রন শুকনো পা ও গোড়ালির ফেটে যাওয়া স্থানে ত্বক শুষে না নেওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে।

3032 views
শীতকালে অন্যান্য অনেক সমস্যার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে পায়ের গোড়ালি ফাটা সমস্যা। নারী-পুরুষ উভয়েই এই সমস্যায় পড়তে পারেন। পায়ের পাতার গোড়ালির দিকের নিচের অংশ ফেটে চৌচির হয়ে যায় অনেকেরই। শুষ্ক আবহাওয়া এবং পায়ের পাতার যে অংশে চাপ বেশী পড়ে সেই অংশ ফেটে যায়। এই পা ফাটার ব্যাথা যে কি পরিমাণ ভয়াবহ হতে পারে, সেটা যার পা ফাটে সে ছাড়া কারো বোঝার উপায় নেই। অনেকেই অনেক ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন এই পা ফাটা নিরাময় করতে। কিন্তু কেমিকেল সমৃদ্ধ ক্রিমে প্রাথমিক ভাবে কিছুটা ঠিক হলেও পরবর্তীতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সহ সমস্যা শুরু হয় আবার। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ঘরোয়া পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পা ফাটা রোধের কিছু উপায়।
গ্লিসারিন ও গোলাপ জলের ফুট মাস্ক
পায়ের গোড়ালি ফাটা যদি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তাহলে আপনি অনায়েসে এটি ফুট মাস্ক ব্যবহার করে দূর করতে পারেন।
পদ্ধতিঃ ফুট মাস্কের জন্য আপনার লাগবে লবন, লেবুর রস, গ্লিসারিন, গোলাপ জল ও কুসুম গরম পানি। একটি বড় পাত্রে ২ লিটার কুসুম গরম পানি নিয়ে তাতে ১ চা চামচ লবন, ১ টি গোটা লেবুর রস, ১ কাপ গোলাপ জল দিয়ে এতে পা ভিজিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর একটি মাজুনি কিংবা পেডিকিউরের পিউমিস স্টোন বা ঝামা ইট দিয়ে পায়ের গোড়ালি ভালো করে ঘষে শক্ত, মোটা ও মরা চামড়া তুলে পা ধুয়ে ফেলুন। এরপর ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ গ্লিসারিন ও ১ চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে পায়ে লাগান। এভাবে রেখে দিন পুরো রাত। একটু চিটচিটে লাগতে পারে। কিন্তু আপনাকে সহ্য করে নিতে হবে। সকালে উঠে কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যাবহারে ১০-১৫ দিনের মধ্যেই পা ফাটা গায়েব হয়ে যাবে।
নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক
যদি পা ফাটা একটু বেশী খারাপ পর্যায়ে চলে যায় তবে এই ফুট মাস্কটি আজকে থেকেই প্রতিদিন ব্যাবহার করার চেষ্টা করুন। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
পদ্ধতিঃ একটি কলা টুকরো করে নিন। এরপর তাজা ৩/৪ খণ্ড নারকেল নিন। দুটিতে একসাথে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে ফাটা স্থানে ভালো করে লাগাবেন। শুকিয়ে উঠলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল না পান তবে একটি কলা পিষে নিয়ে এতে ২/৩ চা চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে লাগাতে পারেন।
প্রাকৃতিক স্ক্রাব ও তেল
পা ফাটা রোধের সব থেকে ভালো উপায় হচ্ছে প্রাকৃতিক স্ক্রাবের ব্যাবহার। ঘরোয়া ভাবে তৈরি এই স্ক্রাবটি প্রতিদিন ব্যাবহার করে খুব দ্রুত পা ফাটা রোধ করতে পারবেন। পদ্ধতিঃ স্ক্রাবটি তৈরি করতে আপনার লাগবে ২/৩ চা চামচ চাল, সাদা ভিনেগার ও মধু। প্রথমে চাল একটু ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন। ব্লেন্ডারে দিয়ে অথবা শিল পাটায় বেটে নিতে পারেন। একটু দানা দানা করে চাল পিষে নেবেন। এরপর এতে পরিমাণ মত ভিনেগার ও মধু দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। একটি বড় পাত্রে কুসুম গরম পানিতে ১০-১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ভেজা পায়ে ঘন পেস্টটি ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করে পা সেভাবেই রেখে দিন ১০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ভালো করে মুছে নিন। তারপর খানিকটা অলিভ অয়েল গরম করে নিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।
3032 views

একটি বালতিতে তিন মগ হালকা গরম পানি নিয়ে, তাতে দুই চা চামচ শ্যাম্পু, এক চা চামচ লেবুর রস ও আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে ১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর একটি ব্রাশ নিয়ে পায়ের গোড়ালি ও তালু ভালোভাবে ঘষতে হবে। পা থেকে ময়লা চামড়া উঠে যাওয়ার পর, ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে পা ধুয়ে ফেলে অলিভ অয়েল এবং লোশন মিশিয়ে পায়ে লাগালে ফাঁটা কমতে শুরু করবে।

3032 views

00পা ফাটা প্রতিকারের কিছু পদক্ষেপঃ১. খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় পা মোজা দিয়ে ঢেকে রাখুন।২. ঘরের ভেতরে মেঝেতে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।৩. শীতকালে গোড়ালি ঢাকা ও আরামদায়ক জুতা পরার চেষ্টা করুন।৪. শীতকালীন বেশি বেশি শাকসবজি খান।৫. শীতকালে অনেকেরই পানি পানের পরিমাণ কমে যায়। সেক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে।৬.  প্রতিদিন গোসল বা অজুর সময় পা ভেজানোর পর শুকনো তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন।৭. গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন।৮. সপ্তাহে অন্তত এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন।৯. গামলায় লেবুর রসমিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে পা ঘষে মৃত কোষ ফেলে দিন। লেবুর রসে যে অ্যাসিটিক অ্যাসিড আছে তা মৃত কোষ ঝরতে সাহায্য করবে। তারপর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।১০. জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন


3032 views

Related Questions