আমি প্রায় সবাইকে দেখি তারা রোজা রাখলে তাদের মুখে থু থু,লালা আসেনা।কিন্তু আমি রোজা রাখলে আমার মুখে কিছুক্ষন পর পর লালা আর থুথু জমে। নামাজ পরতে গেলে কিছুক্ষণ পরপর মুখে লালা/থুথু আসে ।আমার প্রশ্ন হলো...১।আমার কেনো এইরকম হয়??২।কীভাবে/কী করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো?৩।শুধু আমার ক্ষেত্রে এই সমস্যা টা হয় কেনো?কোন হুজুরের তো এইরকম হয়না।।৪।আমি শুনছি,মুখের থুথু খেয়ে নিলে নাকি রোজার কোন সমস্যা হয়না।এইটা কি ঠিক?হাদিসে কী আছে? সবগুলো প্রশ্নের সঠিকা উত্তর দিলে খুব উপকার হতো।
2925 views

1 Answers

কুলি করে মুখ থেকে পানি ফেলে দিল কিন্তু এরপর যেটুকু আর্দ্রতা রইল তা থুথুর সাথে গিলে ফেললেও রোজার ক্ষতি হবে না। দাঁতে ঔষধ চূর্ণ করতে গিয়ে গলায় তার স্বাদ অনুভূত হল অথবা হাড় চোষণ পূর্বক থুথু গিলল কিন্তু হাড়ের কোন অংশ কণ্ঠনালীতে প্রবেশ করল না, কানে পানি ঢুকল বা খড়কুটো দিয়ে কান পরিষ্কার করতে গিয়ে এবং গায়ে লেগে আসা কানের ময়লা রেখেই  কয়েকবার তা কানে প্রবেশ করালো, দাঁতের ফাঁকে বা মুখে অতি ক্ষুদ্র কোনো দ্রব্য নিজের অজান্তে থেকে গেল যা থুথুর সাথে বেরিয়ে আসার মত তা বের হয়ে গেল অথবা দাঁত থেকে রক্ত বের হয়ে তা কণ্ঠনালী পর্যন্ত পৌঁছল এবং এর নিচে গেল না, এসব অবস্থায় রোজা নষ্ট হবে না। (দুররে মুখতার ও ফতহুল ক্বাদীর)
    কথা বলতে গিয়ে থুথুতে মুখ ভরে উঠলো সেগুলো গিলে ফেলল অথবা মুখের গড়িয়ে পড়া লালা মুখ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই টান গিলে ফেলল, নাকের শ্লেষ্মা বা পানি অথবা গলার কফ গিলে ফেলল, এ সবের কারণেও রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে এসব থেকে সতর্ক থাকাই শ্রেয়। (আলমগিরী, দুররে মুখতার ও রদ্দুল মুহতার)
জিহ্বা দ্বারা লবণের স্বাদ গ্রহণ করে থুথু ফেলে দিল এবং মুখ পরিষ্কার করে নিল, এ অবস্থায় রোজা ভঙ্গ হবে না।
    তিল বা তিল পরিমাণ কোনো বস্তু চিবিয়ে থুথুর সাথে গিলে ফেলল এবং তাতে যদি এর স্বাদ অনুভূত হয় তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে অন্যথায় রোজা ঠিক থাকবে। (ফতহুল কাদীর)

2925 views

Related Questions