2 Answers

১। শব্দের দ্বিতীয় স্বর ‘অ’, আ, ও, হলে অ –এর উচ্চারণ স্বাভাবিক হয়। যেমন- অন্ন, অর্থ, অক্ষর , কলম, অমল ইত্যাদি । ২। স’ বা সম’ উপসর্গযুক্ত আদি অ-ধ্বনি স্বাভাবিক হয়। যেমন: সস্নেহ, সহাস্য, সজীব, সরল, সবিনিয় ইত্যাদি । ৩। না অর্থে অ বা অন থাকলে অ – ধ্বনি স্বাভাবিক বা বিবৃত হয়। যেমন: অমূল্য, অমৃত, অস্থির , অনিয়ম, আনাগত ইত্যাদি। ৪।অ – এর নিজস্ব উচ্চারন স্বাভাবিক বা বিবৃত হয় । যেমন: যেমন: জল, সরল, দখল, ইত্যাদি। ৫।অ – স্বরধ্বনিযুক্ত একাক্ষর (sylleble) শব্দের অ-এর উচ্চারণ স্বাভাবিক। যেমন: নদ্, টব, শব্, দম্, রব্ ইত্যাদি

21280 views

পাঁচটি নিয়ম হল-- ১. শব্দের প্রথমে ‘অ’ দিয়ে গঠিত শব্দটি যদি নাবোধক হয় তাহলে অ-এর উচ্চারণ হবে ‘অ’ এর মতো। যেমন: অমর, অটল, অনাচার, অপকারী, অকথা, অকাজ, অবোধ ইত্যাদি। ২. শব্দের প্রথমে ‘অ’ দিয়ে গঠিত শব্দটি যদি নাবোধক না হয় যদি অন্য অর্থবোধক শব্দ হয় তাহলে ‘অ’ ধ্বনি সব সময় ‘ও’ উচ্চারিত হয়। যেমন: অমর (ওমর,নাম), অধীন (ওধীন), মন (মোন) ইত্যাদি। ৩. শব্দের প্রথমে ‘অ’ এবং এর পরে যদি ‘আ’ থাকে তাহলে অ-এর উচ্চারণ হবে ‘অ’ এর মতো। যেমন: অনাচার, অমানিশা, কথা। ৪. সম্বোধনসূচক শব্দ ‘ও’ উচ্চারিত হয়। যেমন : ও/অ ভাই, ও/অ কপাল। ৫. বিদেশি শব্দে ‘অ’ ধ্বনি সব সময় ‘ও’ উচ্চারিত হয়। যেমন: অক্ত-ওক্ত, অজু-ওজু।

21280 views

Related Questions