1 Answers
#9 কী অবস্থা? —চেক ইন করছি ভাই। একটু পরে কথা বলি? খুব ব্যস্ত বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ। ধর্মশালা থেকে দিল্লি পৌঁছেই পরবর্তী ফ্লাইট ধরার তাড়া। পুরো দলের চেক ইন করাচ্ছেন কলকাতার ফ্লাইটে। শুধু দুজনকে ছাড়া। তাসকিন আহমেদ আর বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিক যাচ্ছেন চেন্নাই। সেখানকার রামাচন্দ্রন ইউনিভার্সিটির বায়োমেকানিক্স সেন্টারে যে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে তাসকিনকে! একই গবেষণাগারে পরীক্ষা দিয়ে এখন দলের সঙ্গেই কলকাতা পৌঁছেছেন আরাফাত সানি। মাহমুদই জানালেন, ‘আগামীকাল (আজ) দুপুরে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়ে সন্ধ্যায় কলকাতা পৌঁছাবে তাসকিন।’ সে পরীক্ষায় উতরাতে পারবেন তো তাসকিন? প্রশ্নটা শেষ হতেই খেলোয়াড়ি জীবনের মতো অনায়াসে এক্সট্রা কাভার দিয়ে সীমানার বাইরে বল পাঠালেন জাতীয় দলের বর্তমান ম্যানেজার, ‘অবশ্যই, এ নিয়ে আমাদের মনে বিন্দুমাত্র সংশয় নেই।’ উল্টো কোচ চন্দিকা হাতুরাসিংহের মতোই ক্রিকেট ইস্টাবলিশমেন্টের ওপর চড়াও হয়েছেন মাহমুদ, ‘তাসকিনের অ্যাকশনে সমস্যা আছে, এমন কিছু শুনব বলে দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি।’ তবু যখন প্রশ্নটা উঠেছে, তাসকিনকে যেতেও হয়েছে পরীক্ষা দিতে। কোচ-ম্যানেজার থেকে শুরু করে পুরো জাতীয় দলেই ছড়িয়ে পড়েছে এ উষ্মা। আগের রাতে ধর্মশালার কনকনে ঠাণ্ডায় স্ট্রোকের ফুলকি ছোটানো তামিম ইকবালের বিস্ময়ের আড়ালে যেন ক্ষোভের ছাইচাপা আগুন, ‘তাসকিনের অ্যাকশনে কোনো ত্রুটি নেই। আমি নিশ্চিত ও ক্লিয়ার্ড হবে। আসলে বুঝতেই পারছি না কেন ওর ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করা হলো!’ আরেকটু খোঁজ নিয়ে জানা গেল বাজারে চাউর হওয়া ‘কন্সপিরেসি থিওরি’ ভর করেছে বাংলাদেশ দলেও। নাম গোপন রাখার শর্তে দলসংশ্লিষ্ট একজনের মন্তব্য, ‘শুরু থেকেই তো আমাদের সঙ্গে বৈরী আচরণ করা হচ্ছে। ধর্মশালায় আমাদের খেলা দেওয়া হয়েছে কি আয়ারল্যান্ড আর নেদারল্যান্ডসের মতো শীতপ্রধান দেশগুলোর সুবিধা করে দিতে? বলা হয়েছিল আকাশে বিজলি চমকালে খেলা শুরু হবে না। তাহলে বজ পাতের মধ্যেই ওমান ম্যাচ শুরু করে দেওয়া হলো কেন? মাঝখানে তাসকিনকে সন্দেহ করা, সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে আড়ালে কেউ বাংলাদেশকে নিয়ে খেলতে চাচ্ছে!’ সেই খেলোয়াড়টির নাম অবশ্য গোপন রাখার শর্তেও বলেননি তিনি। তবে বাংলাদেশের চলার পথে কাঁটা বিছানোর সম্ভাব্য কারণটি ভেবে তিনি বেশ উত্ফুল্লই মনে হচ্ছে, ‘যে বা যারাই কলকাঠি নেড়ে থাকুক না কেন, বোঝা যাচ্ছে তারা বাংলাদেশকে ভয় পাচ্ছে!’ প্রতিপক্ষের মনে ভয় ধরানো নিয়ে অবশ্য বাড়তি আতিশয্য নেই খালেদ মাহমুদের কণ্ঠে, ‘আমরা ভালো ক্রিকেট খেলছি, সেটাই সবচেয়ে আনন্দের। একটা দল ভালো খেলতে থাকলে ড্রেসিংরুমের চেহারাই পালটে যায়। বাইরের মানুষের তো আর অতটা দেখার সুযোগ হয় না। আমরা যারা কাছে থাকি, তাদের দেখি। সত্যি বলতে কি, এতটা সুখী এবং আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দল এর আগে আমি দেখিনি।’ ধর্মশালার হাড় কাঁপানো শীত পেছনে ফেলে দিল্লি হয়ে কলকাতা মানে তো একরকম ঘরে ফেরাই। যদিও মাহমুদের দৃষ্টি আরো প্রসারিত, ‘ধর্মশালা ছাড়তে পেরে সত্যিই খুব ভালো লাগছে। কী যে ঠাণ্ডা ছিল! কলকাতার আবহাওয়া ভালো, দর্শক সমর্থনও বেশি পাব। তবে আমাদের চিন্তায় শুধুই আরেকটি ভালো পারফরম্যান্স। পাকিস্তান ম্যাচটাও ভালো খেলতে চাই।’
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy