একুশে ফেব্রুয়ারি তে;ঠিক কি কারনে বিনোদন মুলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়?
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে
ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি ।
ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু গড়া এ
ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি ।
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙ্গানো
ফেব্রুয়ারী
আমি কি ভুলিতে পারি.....
.....ভোরে গানটি শরণ করে,নীরবতা পালন করে...বিকালে নাচ-গান,হৈচৈ,নাগরদোলায় উঠে মজা করা সহ বিনোদনমূলক মেলা/অনুষ্ঠান করার কেনো করা হয়??সকালে রক্তাক্ত একুশ আর বিকালে নিজ ভাষায় কথা বালার আনন্দ প্রকাশ? ???
আমি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া নিবাসী | ৬ষ্ঠ বারের মত এবারও,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে;উল্লাপাড়ায় আয়োজন করা হয়েছিল ৩-৭ দিন ব্যাপি বই মেলার! !কিন্তুু প্রতিবারই বই মেলায় খেয়াল করি...দেশাত্ববোধক গান-নাচ,কবিতা আবৃত্তির পাশাপাশি... চলে কফির আড্ডা,হৈচৈ,নাগরদোলায় উপচেপড়া ভিড়!! এভাবেই ২১শে ফেব্রুয়ারি রাত ৮-১০টা পর্যন্ত চলে এই মেলা!! এটা কেমন একুশ উৎযাপন? ?? এটা কি কোনো উৎসবে পরিণত হয়েছে ??? আমি যানতে চাই....ভাষা শহীদ পরিবারের সদস্যরা,এভাবে একুশ উৎযাপন করাকে কতটুকু সমর্থন করছেন? নাকি বাংলা ভাষায় কথা বলার আনন্দে,মা তার ছেলে হারানোর কষ্ট ভুলে গিয়েছে??
2800 views
1 Answers
বাংলাদেশে ২১ শে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন। এ দিন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। ভাষাশহিদদের স্মরণে এ দেশের মানুষ শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়ে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ভাষা শহিদদের নিয়ে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বইমেলা ও আলোচনা সভা। বাংলাদেশে ২১ শে ফেব্রুয়ারি দিনটি অত্যন্ত ভাষাগাম্ভীর্য ও শ্রদ্ধাবনত চিত্তে পালন করা হয়। এই ভাষার মেলা হয়।
2800 views
Answered