3 Answers
ক্যান্সারের লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহন করা সম্ভব হয়। প্রত্যেক প্রকার ক্যান্সারের পৃথক পৃথক লক্ষণ দেখা যায় এবং দ্রুত চিকিৎসা গ্রহন করে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রনের জন্য এই লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানা থাকা খুব প্রয়োজন।
এই লিঙ্কে দেখেন ক্যান্সারের লক্ষনগুলোঃ http://www.asiancancer.com/bengali/cancer-symptoms/
ক্যান্সারেরর ১০টি লক্ষনঃ
১) নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়া কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। ডায়েটিং বা খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, অন্য কোনো সাধারণ অসুখে পড়ে ওজন কমে যাওয়া তেমন ক্ষতিকর নয়। কিন্তু এগুলো ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া অবশ্যই লক্ষণীয়। ২) কিছুদিন পর পর এবং একটানা জ্বর হওয়া কিছুদিন পর পর এবং একটানা জ্বর হওয়া ব্লাড ক্যান্সার অর্থাৎ লিম্ফোমা না লিউকোমিয়া হওয়ার প্রধান লক্ষণ। তাই অবহেলা করবেন না। ৩) শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ব্যথা একটানা মাথা ব্যথা হওয়া ব্রেইন ক্যান্সারের প্রথমিক লক্ষণ। এছাড়াও পিঠের নিচের অংশে একটানা ব্যথা হওয়াকে রেক্টাল ও ওভারিয়ান ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। এইধরনের ব্যথা অবহেলা করবেন না। ৪) একটানা কাশি থাকা মাঝে মাঝে ঠান্ডা কাশি অনেকটা সময় থাকে কিন্তু যদি অনেক বেশি খুশখুশে কাশি একটানা চলতে থাকে তাহলে সর্তক হয়ে যাওয়াই ভালো। কারণ একটানা কাশির এই বিষয়টি হতে পারে ফুস্ফুসে ক্যান্সারের লক্ষণ। ৫) চামড়ার নিচে ফোলা বা দানা ক্যান্সারের প্রথম এবং প্রধান লক্ষণ হচ্ছে শরীরের চামড়ার নিচে গুটি গুটি হয়ে ফুলে ওঠা বা দলা পাকানো গোটার মতো অনুভব করা। তবে এই গুটি গুলো বুক বা বুকের আশে পাশে অথবা যৌনাঙ্গে দেখা দিলে ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। শরীরের অন্যান্য অংশ যেমন হাত, পায়ে দেখা দিলে ভয়ের কিছু নেই। ৬) অতিরিক্ত এবং অস্বাভাবিক রক্তপাত কফ বা কাশির সাথে রক্ত যাওয়া ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া পস্রাব-পায়খানার সাথে রক্ত পড়াও হতে পারে ব্লাডার ক্যান্সারের কারন। স্তন থেকে রক্ত পরা স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ। এইসব লক্ষণ দেখার সাথে সাথে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। ৭) মূত্রনালীর সমস্যা প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে একেবারেই অবহেলা করবেন না। দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিন। ৮) মুখের ভেতরে ক্ষত এবং খুসখুসের সমস্যা একটানা অনেকটা দিন মুখের ভেতরে ক্ষত থাকা যা একেবারেই ঠিক হচ্ছে না এবং মুখের ভেতরে, গলায় প্রদাহ ও খুসখুস করার সমস্যা থাকলে অবহেলা করবেন না। এগুলো ওরাল ক্যান্সারের লক্ষণ ৯) দেহের চামড়ায় কিছু লক্ষণীয় পরিবর্তন শরীরের চামড়ার মাঝে মাঝে রঙের পরিবর্তন, কোন কারণ ছাড়াই জখমের মত দাগ হওয়া সবই মেলানোমার লক্ষণ। অর্থাৎ চামড়ার ক্যান্সারের লক্ষণ। এইসব দাগ কিংবা পরিবর্তনের দিকে লক্ষ রাখুন। চামড়ায় কোনো ধরনের পরিবর্তনে অবশ্যই ডারম্যাটোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন। ১০) সব সময়েই দুর্বলতা অনুভব করা অনেক সময় বিশ্রাম নেয়ার পরও ক্লান্তি দূর হয় না বলে আমরা সাধারণভাবে নিয়ে ভেবে থাকি আমাদের পরিমিত বিশ্রাম হচ্ছে না। কিন্তু আমরা ভাবতেও পারি না এটিও হতে পারে ক্যান্সারের লক্ষণ। সামান্যতেই ক্লান্ত ও অবসাদবোধ হওয়া এবং সবসময়েই দুর্বলতা বোধ হওয়ার সমস্যা অবহেলা না করে পরীক্ষার জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
তথ্য সূত্রঃ দৈনিক ভোরের কাগজ।
ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণঃ একেক ক্যান্সারের জন্য একেক ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গ থাকে। তবে সাধারণ কিছু লক্ষণ হচ্ছে: -খুব ক্লান্ত বোধ করা -ক্ষুধা কমে যাওয়া -শরীরের যে কোনজায়গায় চাকা বা দলা দেখা দেয়া -দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙ্গা -মলত্যাগে পরিবর্তন আসা (ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের সাথে রক্ত যাওয়া) -জ্বর, রাতে ঠান্ডা লাগা বা ঘেমে যাওয়া -অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা অস্বাভাবিক রক্তপাত হওয়া -ত্বকের পরিবর্তন দেখা যাওয়া সূত্রঃউইকিপিডিয়া