2 Answers
আগর-আতরের চাষ কবে শুরু হয়েছে, তার সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে যতদূর জানা যায়, তৃতীয় ও চতুর্থ হিজরীতে যথাক্রমে বিখ্যাত পর্যটক ছয়রাফি এবং ইবনেবতুতার পর্যটন কাহিনী এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে বাংলা ও আসামের কর্তৃত্বাধীন সেনাপতি মির্জা নাথানের স্মৃতি কথা থেকে সুজানগরের আগর আতরের কথা জানা যায়। যদিও অনেকে বলে থাকেন গোলাপ ফুল থেকে প্রথম আতর তৈরি করেছেন সম্রাজ্ঞী নূরজাহান।
সেই হিসাবে ভারত মহাদেশে সর্বপ্রথম আগর বা আগরবাতির প্রচলন ঘটে।
মূলত এর সুঘ্রানের জন্যই ধর্মীয় বিভিন্ন আয়োজনে ব্যাবহার করা হতো এবং পবিত্রতার একটি প্রতীক মনে করা হতো।
তথ্যসূত্র:
http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/drishtikon/2014/10/27/11339.html
আগর শব্দের অর্থ, উত্কৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ। অবশ্য ইংরেজিতে এটিকে Eagle Wood বলে। তবে আগর বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন- উদ (আরব) গাডরউদ (দক্ষিণ এশিয়া), উদহিন্দ (হারবাল চিকিত্সায় ইউনানির নাম) ও অগুরু (আয়ুর্বেদিক ভাষায়)। উল্লেখ্য যে, বাংলা, আরবী ও ফারসিসহ বিভিন্ন ভাষায় সংমিশ্রণে অপভ্রংশ হয়ে ‘আগর’ নামটির উত্পত্তি হয়েছে।
যতদূর জানা যায়, তৃতীয় ও চতুর্থ হিজরীতে যথাক্রমে বিখ্যাত পর্যটক ছয়রাফি এবং ইবনেবতুতার পর্যটন কাহিনী এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে বাংলা ও আসামের কর্তৃত্বাধীন সেনাপতি মির্জা নাথানের স্মৃতি কথা থেকে সুজানগরের আগর আতরের কথা জানা যায়। যদিও অনেকে বলে থাকেন গোলাপ ফুল থেকে প্রথম আতর তৈরি করেছেন সম্রাজ্ঞী নূরজাহান। সাধারণ পূর্ণাঙ্গ একটি আগর গাছ কেটে, তার মধ্যে থেকে বিশেষ ধরনের কালো জাতীয় কাঠ পাওয়া যায়, সেটিই আগর কাঠ, স্থানীয় ভাষায় ‘মাল’ বলে অভিহিত করা হয়। আর যিনি আগর গাছ বা কাঠ শনাক্তকরণে তাকে ‘দৌড়াল’ বলা হয়।
বিশ্বে এ প্রজাতির গাছ বাংলাদেশের মৌলভীবাজারস্থ বড়লেখা উপজেলার সুজানগর নামক গ্রামে জন্মে। তবে সিলেটের এ পাহাড়ী অঞ্চলে প্রকৃতজাত আগর গাছ যেমন পাওয়া যায় তেমনি ইদানীং বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু হয়েছে।
পরিসংহারে বলা যায় অাগরবাতি প্রচলন ভারতীয় উপমহাদেশ থেকেই হয়েছিল।