ওয়েবসাইট সিকিউরিটি কি ও কীভাবে?
1 Answers
ওয়েবসাইট হ্যাকিং প্রতিরোধ
ওয়বসাইট হ্যাকিংয়ে যে পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়_ SQL Injection, Cross site scripting ইত্যাদি। SQL Injection-এর মাধ্যমে ওয়েব ফরমে ঝছখ ঈড়ফব-এ প্রবেশ করা যায়। ফলে ওয়েবপেজের ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করা কোন বিষয়ই নয়। আর হ্যাকাররা এই পদ্ধতিতে ওয়েবপেজে প্রবেশ করে নিজের মতো করে পাসওয়ার্ড সেট করে নেয়। ফলে ওয়েব পেজটির এ্যাডমিনিস্ট্রেশন তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ওয়েবসাইট হ্যাকিংকে প্রতিরোধ করার জন্য কিছু টিপস্ নিচে দেয়া হলো:
১. ওয়েব সার্ভারটি যারা মেইনটেইন করবে, তাদের ওয়েব এ্যাডমিনিস্ট্রেটরকে খুবই সচেতন হতে হবে সার্ভার সিকিউরিটির ব্যাপারে। বিশেষ করে স্ট্রং এ্যান্টি-ভাইরাস, এ্যান্টি-স্পাম এবং নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ব্যবহার করতে হবে, যেন হ্যাকিংয়ের প্রাথমিক প্রচেষ্টাতেই হ্যাকার ব্যর্থ হন।
২. ওয়েব এ্যাডমিনিস্ট্রেটরকে ওয়েব ফাইলগুলো আপ-টু-ডেট রাখতে হবে। আর ওয়েবপেজের সকল ফাইল ওয়েব ফরমে আপলোড করাই ভাল।
৩. যদি ওয়েবপেজে কোন পরিবর্তন হয়, তাহলে পুরনো অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ওয়েব সার্ভার থেকে মুছে ফেলাই ভাল।
৪. খুবই প্রয়োজনীয় ওয়েব ফাইল যেগুলো ওয়েবসাইটের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সেগুলো প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড দিয়ে সংরক্ষিত রাখতে হবে।
৫. রোবট টেঙ্ট ফাইল ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করে রাখতে হবে, যে ফাইলটি সার্চ ইঞ্জিনকে বলে দেবে অননুমোদিত ব্যবহারকারী যেন ইনডেঙ্ংিয়ের মাধ্যমে কোন ফাইল সার্চ করতে না পারে।
৬. ওয়েব ফাইল আপলোডের ক্ষেত্রে সিকিউরিটি থাকতে হবে। যে কোন ব্যক্তি যেন ওয়েবসাইটের কন্ট্রোল প্যানেলে প্রবেশ করতে না পারে।
৭. ই-মেইল এড্রেস এবং তার পাসওয়ার্ড সংরক্ষিত রাখতে হবে। কর্পোরেট ওয়েবসাইটের বেলায় যে কোন ব্যক্তি যেন ই-মেইল এড্রেস তৈরি করতে না পারে।
প্রোগ্রাম সোর্স কোড সংরক্ষিত রাখতে হবে। শুধু তাই নয় প্রয়োজনে ব্রাউজিংয়ে কিছু কিছু ফাংশন যেমন সোর্স কোড কপি, প্রিন্ট ইত্যাদি বিকল করে রাখতে হবে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ওয়েবসাইট হ্যাকিং
আমরা অন্তত মুখে হলেও ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিক। কিন্তু বাসত্মবে আমরা কতখানি ডিজিটাল সুবিধা ভোগ করতে পারছি সেটা আলোচনা না করাই ভাল। এদেশে ডায়াল-আপ থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে ইন্টারনেট সার্ভিস চলে এসেছে ওয়াই-ফাই কিংবা ওয়াই-ম্যাঙ্।ে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পরিচিতির জন্য তৈরি করছে ওয়েব পেজ এবং হোস্টিং করছে। কিন্তু এগুলোর নিরাপত্তা কতখানি ? ওয়েবসাইট হ্যাক হচ্ছে, হ্যাক হচ্ছে ব্যাংক এ্যাকাউন্ট কিংবা হ্যাক হচ্ছে ইন্টারনেট সার্ভিস। সব কিছুকেই প্রতিরোধ করতে হলে কঠিন সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। আমাদের পাসওয়ার্ড সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। লাইসেন্স সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। ওয়েব পেজ হোস্ট করলে কোন ভাল ওয়েব সার্ভারে হোস্ট করতে হবে। ওয়েব পেজকে কোডিং সিকিউরিটি দিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। ওয়েব পেজে ব্রাউজিং প্রোটেকশন রাখতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে যারা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেন তাদেরও রোবটিক পদ্ধতিতে অর্থাৎ সূক্ষ্ম হিসেবে কাজ করতে হবে। তাহলে শুধু ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ে নয় অন্যান্য হ্যাকিংও প্রতিরোধ করা যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy