4 Answers

১. ধুলাবালি ও ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলুন : ধুলাবালি ও ঠাণ্ডা হাঁপানি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে স্বীকৃত। কাজেই হাঁপানি রোগীরা রাস্তাঘাটে চলার সময় মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। সেই সাথে ঠাণ্ডা এড়িয়ে চলার পাশাপাশি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সর্দিকাশির যথাযথ চিকিৎসা নিন। ২. ধূমপান বিষপান : ধূমপান বিভিন্ন মাত্রায় ও সময়ব্যাপী হাঁপানির প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়। কাজেই আজই ধূমপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন। হয়ে উঠুন ‘আমরা ধূমপান নিবারণ করি’র একজন সক্রিয় সদস্য। ৩. অ্যালার্জির সাথে আড়ি : অ্যালার্জির উদ্রেককারী বিভিন্ন খাবার যেমন : গরুর গোশত, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, পুঁই শাক, মিষ্টি কুমড়া, বেগুনসহ আরো যেসব খাবার আপনার শরীরে অ্যালার্জির উদ্রেক করে কিংবা শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তা এড়িয়ে চলুন। সেই সাথে বাদ দিন ঠাণ্ডার উদ্রেককারী আইসক্রিমসহ বিভিন্ন হিম শীতল খাবার। এতে হাঁপানি রোগ অনেকটাই আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। ৪. বিষণœতার ভূতটাকে আজই রুখুন : আজই মাথা থেকে তাড়িয়ে দিন বিষণœতা নামক ভূতটাকে। আত্মবিশ্বাসের বলে বলিয়ান হয়ে জয় করুন দুশ্চিন্তা নামক শত্রুটাকে। কেননা অতিরিক্ত মানসিক চাপজনিত বিষণœতা আপনার হাঁপানির লক্ষণ ও মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক গুণ বেশি বাড়িয়ে দিতে পারে।

3269 views

হাপানি এর চিকিৎসায় দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহৃত হয়। উপশমকারী ওষুধ এবং প্রতিরোধকারী ওষুধ।উপশমকারী ওষুধ হিসেবে সালবিউটামল গ্রুপের ওষুধ ব্যবহৃত হয়। বাজারে সালটোলিন, ভেনটোলিন, অ্যাজমাসল ইত্যাদি নামে এসব ওষুধ ব্যবহার করা হয়। সালবিউটামল শ্বাসনালি প্রসারিত করে শ্বাসকষ্ট কমিয়ে দেয়। এসব ওষুধ ট্যাবলেট বা ইনহেলার হিসেবে পাওয়া যায়। ট্যাবলেট ব্যবহারের চেয়ে ইনহেলার ব্যবহার করা ভালো। অপরদিকে অসুখ প্রতিরোধে স্টেরয়েড-জাতীয় ওষুধ ব্যবহৃত হয়। বাজারে এসব ওষুধ বিকোমেট, বেঙি্টােন, টিকামেট, সেরেটাইড ইভোহেলার, ইকোহেলার ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়। স্টেরয়েড শ্বাসনালির প্রদাহ কমায়, সংবেদনশীলতা কমিয়ে অ্যাজমার মাত্রা হ্রাস করে হোমিওপ্যাথিতে রোগীর লক্ষন সাদৃশ্য মিলিয়ে ওষুধ দিলে ১০০% নির্মূল সম্ভব তবে চিকিৎসা দীর্ঘ মেয়াদি চালিয়ে যেতে হবে।হোমিওপ্যাথি ছাড়া অন্য কোনো চিকিৎসা ব্যাবস্থা ছাড়া অ্যাজমা নির্মূল সম্ভব নয়।

3269 views

. ধূমপান করবেন না। ধূমপায়ী ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলুন। ২. শয়নকক্ষে খুব বেশি মালামাল রাখবেন না। ৩. ঘরের সম্ভাব্য সব কিছু ঢেকে রাখবেন, যাতে ধুলো বালি কম উড়ে। ৪. টিভি, মশারি স্ট্যান্ড, সিলিং, পাখার উপর জমে থাকা ধুলো বালি সপ্তাহে একবার অন্য কাউকে দিয়ে পরিষ্কার করে নিবেন। ৫. শোকেস কিংবা বই self রাখা পুরনো খাতা, ফাইল, বইপত্র অন্য কাউকে দিয়ে ঝেড়ে নিবেন। ৬. বাস, মোটর গাড়ি কিংবা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকবেন। ৭. উগ্র সুগন্ধি ব্যবহার করবেন না। তীব্র দুর্গন্ধ, ঝাঁজালো গন্ধ থেকে দূরে থাকুন। ৮. বাসায় হাঁস, মুরগি, বিড়াল, কুকুর, পোষাপ্রাণী যেন না থাকে এবং এগুলোর সঙ্গে মেলামেশা করবেন না। ৯. বাড়িতে ফুলের গাছ লাগাবেন না। ১০. ঘাসের উপর বসে থাকা পরিহার করুন। নিজে ঘাস কিংবা গাছ কাটবেন না। ১১. শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন এবং শীতের কাপর ব্যাবহার করবেন। ১২. শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। জোরে শ্বাস টানুন, প্রায় ১৫ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন। দুই ঠোঁট শীষ দেওয়ার ভঙিতে আনুন এবং ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলুন প্রতিদিন সকাল ও বিকালে ১০ মিনিট করে মুক্ত পরিবেশে। ১৩. সর্বদা ভয় ও চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং কখনো হতাশাগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পরবেন না। ১৪. ছোট বাচ্চারা পুতুল নিয়ে খেলা করবে না। ১৫. ঘর ঝাড়ু দেবেন না। ঘর ঝাড়ু দিতে হলে মাস্ক, তোয়ালে কিংবা গামছা দিয়ে নাক বেঁধে নেবেন। ১৬. কাশি শক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো এন্টিবায়োটিক ওষুধ খাবেন। ১৭. ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি কম খাবেন। হালকা গরম পানি পান করবেন। ১৮. বিছানার চাদর কিংবা বালিশের কভার পাঁচ দিন পর ধুয়ে ব্যবহার করবেন। ১৯. মশারি সপ্তাহে একবার ধুঁয়ে ব্যবহার করবেন। ২০. যদি কোনো খাবারে সমস্যা হয়, Example: গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, হাঁসের ডিম, বেগুন, কচু, পাকা কলা, আনারস, নারিকেল ইত্যাদি কম খাবেন। ২১. সর্বদা ধুলো বালি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। ২২. এলার্জি কিংবা এজমা কোনো কঠিন রোগ নয়, একটু মনযোগী হলে এটি নিয়ন্ত্রণে রেখে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকা সম্ভব। ২৩. ডাক্তারের দেওয়া সব নিয়ম, পরামর্শ, ব্যবস্থাপত্র যথাসম্ভব মেনে চলুন। ২৪. শীতকালে এজমা রোগীদের বেশি সতর্ক থাকতে হবে।।

3269 views
প্রাকৃতিক উপায়ে হাপানি রোধ করতেএখানে দেখুন
3269 views

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views