আমি you tube থেকে টাকা আয় করতে চাই, প্লিজ বলবেন এটা কি ভাবে সম্ভাব?
4 Answers
অনলাইনে আয়ের হাজার হাজার পদ্ধতির মধ্যে ইউটিউব থেকে আয় একটি জনপ্রিয় উপায়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন কইয়েকটি বিশেষ উপায়ে। ভিডিও তৈরি করে অনেকেই ইউটিউব থেকে আয় করছেন। তবে আপনি কেন পারবেন না। এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের দেখাতে চেষ্টা করব কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়। নিচে কয়েকটা পদ্ধতি আলোচনা করা হলো- আপনি ভিডিও তৈরীর জন্য দুইটি পথ অবলম্বন করতে পারেন। প্রথমটা হলো- ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করুন। আর আপনার যদি কোনও ভিডিও ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি এক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। একটা বিষয়কে মাথায় রাখবেন, তা হলো- আপনাকে অবশ্যই মজাদার/ শিক্ষনীয় ভালো মানের ভিডিও তৈরি করতে হবে। যদি আপনি আপনার চ্যানেলটিকে টিউটোরিয়ালের নির্ভর করতে চান তবে আপনি এখানে ভিডিও টিউটোরিয়ালই আপলোড করেন অন্য কিছু নয়। কিংবা যদি ভিডিও গান বা নাটক এর চ্যানেল বানাতে চান তবে তাও বেশ জনপ্রিয় হতে পারে। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে আপনি যখন আপনার ভিডিও গুলি আপলোড দেবেন, তখন অবশ্যই আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো দিয়ে দেবেন এবং সাথে সাথে আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনটাও দিয়ে দেবেন। এবার আপনার আপলোডকৃত ভিডিও বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন। কারণ শুধু আপলোড করে দিলেই হবে না জনপ্রিয় হতে হলে আপনার ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন: ফেসবুক, টুইটার, গুগোল+ ইত্যাদি সমূহে শেয়ার করুন। আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করুন। একটা কথা ভাল করে মনে রাখবেন, YouTube ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের ব্লগিং। তাই, আপনাকে ইউটউব, গুগোল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে। শুধু আপনার টপিক রিলেটেড সাইটে লিংক তৈরি করুন। আপনার প্রতিযোগীদের বা আপনার মত কাজ করছেন এরকম লোকদের অনুসরণ করুন। আপনি যদি সফল হতে চান, তাহলে আপনার প্রতিযোগীদেরকে অনুসরণ করুন। দেখুন তারা কিভাবে সফল হচ্ছেন। তাদের সফলতার ইতিহাসটা পড়ুন। কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন : আপনি যদি উন্নতমানের জনপ্রিয় ভিডিও তৈরি করতে পারেন, বা আপনার চ্যানেল জনপ্রিয় হয় তাহলে আপনি ইউটিউবের এ্যাডসেন্স পার্টনারশিপ থেকেই একটা অফার পেতে পারেন। ওরা আপনাকে পার্টনার করলে প্রতি মাসে একটা ভাল এমাউন্টের টাকা দেবে। এই লিংকে ক্লিক করে YouTube Partnership ( এখানে ক্লিক করুন https:// www.youtube.com/yt/creators/creator- benefits.html) পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি তারা আপনাকে রিজেক্ট করে তাহলে পুনরায় এপ্লাই করার জন্য আপনাকে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি আপনার চ্যানেলকে তারা একসেপ্ট করে তাহলে তো গেল। কারণ, তারা আপনাকে প্রতি মাসে $200 দেবে। এছাড়াও বিভিন্ন পণ্যের ভিডিও রিভিউ দিয়ে বা বিভিন্ন এ্যাডভারটাইজিং ভিডিওয়ের মাঝে দিয়ে আয় করা যায়। এছাড়া ভিডিওয়ের ডিসক্রিপশনে বিভিন্ন পণ্যের এফিলিয়েট লিংক দিয়ে দি্তে পারেন। কোনও পণ্য বিক্রয় হলেই আপনি টাকা পাবেন। তাছাড়া আপনি যদি সুন্দর একটা নামের বা ভালো কী-ওয়ার্ডের চ্যানেলের মালিক হন তবে সেটা পরে বিক্রি করে দিতে পারেন। অনেকেই আছে যারা টার্গেটেড কিওয়ার্ডের বা সুন্দর নামের চ্যানেল ক্রয় করে থাকেন। যদিও ইউটিউব অফিসিয়ালি এটা সাপোর্ট করে না কিন্তু তার পরেও হয়। তবে এটা সময় সাপেক্ষ। মোট কথা আপনি যদি কোয়ালিটি সম্পন্ন জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনিও ইউটিউব থেকে আয় করতে পারেন বেশ কয়েক হাজার হাজার টাকা।
YouTube থেকে আয়ের অনেক উপায় রয়েছে। নিম্নে কয়েকটা পদ্ধতি আলোচনা করা হল- ১. সুন্দর একটা YouTube Channel Name তৈরী করুন প্রথমে YouTube এ গিয়ে একটা ফ্রি রেজিষ্ট্রেশন করুন। একাউন্ট তৈরী করার সময় যেকোন নাম না দিয়ে এমন নাম দেন যার সার্চ বেশী, যে নাম যে কেউ মনে রাখতে পারবে। ২. ভিডিও তৈরী- ভিডিও তৈরীর জন্য আসলে দুইটি পথ অবলম্বন করা যেতে পারে। প্রথমটা হল- ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করা। আপনার যদি কোন ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, অবশ্যই ভাল সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে এবং আপনার কম্পিউটার দ্রুত থাকতে হবে। শুধু একটা বিষয়কে মাথায় রাখবেন, তাহল- আপনাকে অবশ্যই মজাদার ভিডিও তৈরী করতে হবে। মজাদার বলতে আমি কমেডি ফিল্ম তৈরী করার কথা বলছিনা। আমি বলছি, আপনার ভিডিও ভিউয়ারদের জন্য আনন্দদায়ক এবং তারা যেই ধরণের ভিডিওর জন্য সার্চ করছেন সেই ধরণের ভিডিও। উদাহরণস্বরুপ, আপনি একটা Channel তৈরী করলেন ফটোশপ টউটোরিয়ালের আর আপলোড করলেন বিভিন্ন কার্টুন, তাহলতো হল না। আপনি আপনার চ্যানেল যদি থাকে টিউটোরিয়ালের উপর তাহলে আপনি এখানে ভিডিও টিউটোরিয়ালই আপলোড করেন। ৩. আপনার ভিডিও YouTube এ আপলোড- আপনি যখন আপনার তৈরীকৃত ভিডিও আপলোড দিবেন, তখন অবশ্যই আপনার কী-ওয়ার্ডগুলো দিয়ে দিবেন এবং সাথে সাথে আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনটাও দিয়ে দিবেন। আপনার ভিডিও এর সাথে আপনার ওয়েবসাইটের URL টাও দিয়ে দিবেন। ৪. আপনার আপলোডকৃত ভিডিও বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করুন- শুধু যে ভিডিও আপলোড করে দিলেন আর আপনি ট্রাফিক পেয়ে গেলেন, এটা ঠিক নয়। আপনি আপনার ভিডিওগুলো বিভিন্ন সোসিয়াল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন: ফেসবুক, টুইটার, গুগোল+ ইত্যাদি সমূহে শেয়ার করুন। ৫. আপনার ভিডিওয়ের জন্য ব্যাকলিংক তৈরী করুন- একটা কথা ভাল করে মনে রাখবেন, YouTube ভিডিও পাবলিশিংও এক ধরনের ব্লগিং। তাই, আপনাকে ইউটউব, গুগোল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছু ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে। শুধু আপনার টপিক রিলেটেড সাইটে লিংক তৈরি করুন। ৬. আপনার প্রতিযোগীদের বা আপনার মত কাজ করছেন এরকম লোকদের অনুসরণ করুন, আপনি যদি সফল হতে চান, তাহলে আপনার প্রতিযোগীদেরকে অনুসরণ করুন। দেখুন তারা কিভাবে সফল হচ্ছেন। তাদের সফলতার ইতিহাসটা পড়ুন। ৭(ক). কিভাবে YouTube থেকে টাকা আয় করবেন? এতক্ষণ যা বললাম তাহল, কিভাবে একটা ভিডিও তৈরী করবেন বা কিভাবে আপনার চ্যানেলে ট্রাফিক বৃদ্ধি করবেন। এখন আমরা জানবো কিভাবে ইউটিউব থেকে টাকা আয় করবেন। আপনি যদি উন্নতমানের জনপ্রিয় ভিডিও তৈরী করতে পারেন, তাহলে আপনি ইউটিউবের এ্যাডসেন্স পার্টনারশীপ থেকেই এটা অফার পেতে পারেন। তারপর আপনাকে YouTube Partnership Program (YPP) এর জন্য অফার করতে হবে। YouTube Partnership Program (YPP) পাতা ভিজিট করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। যদি তারা আপনাকে রিজেক্ট করে তাহলে পুনরায় এপ্লাই করার জন্য আপনাকে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে। আর যদি আপনার চ্যানেলকে তারা একসেপ্ট করে তাহলে মিষ্টি মুখ করেন। কারণ, তারা আপনাকে প্রতি মাসে $200 দিবে।
ভাল কথা আয় করবেন। আমিও আয় করছি। আমার ও ভাল হচ্ছে। আমি আপনাকে ভাল কিছু সাজেস্ট করবো। আপনি চাইলে আমার দেখা লিংকটাতে আপনিও দেখতে পারেন। ভাি আমার ভাল লাগছে ওদের কথা মত কাজ করে আমি সফল চাইলে আপনি ও ফলো করেন। পোস্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।