শীতকাল আসলেই আমার মুখের ত্বক ফেটে আর রুক্ষ হয়ে যায়। কি ক্রিম বা লোশন ব্যাবহার করলে এই সমস্যার সমাধান পাব।
3221 views

5 Answers

আপনি এই শীতে আপনার ত্বকের সুরক্ষা পেতে "ক্লোভেটামিল জি" ক্রীমটি ব্যবহার করুন।

3221 views

এর জন্য তিব্বত ক্রীমটি ব্যবহার করতে পারেন।

3221 views

আপনি ত্বকে তিব্বত পমেট ব্যবহার করুন।

3221 views

আপনি পন্ডস বডি লোশন ব্যবহার করতে পারেন। আমি এটি ব্যবহার করছি। লোশনটি খুব ভালো।

3221 views

শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বকের এপিডার্মাল লেয়ার থেকে আর্দ্র ভাব কমে যায়। যার ফলে শীতকালে আমাদের ত্বক সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। শীতে শুষ্ক ত্বক আর্দ্রতা হারায় বিধায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে। তাই এ সময় ত্বকের চাই বাড়তি যত্ন। সে কারণে শীতে তো বটেই বরং শীত আসার আগে থেকেই শীতের রুক্ষ আবহাওয়া মোকাবেলা করার প্রস্তুতি নিতে হবে। এই মৌসুমে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করে নিজেদের ত্বককে নরম রাখতে চান। তাই শুষ্কতা থেকে রক্ষার খুবই সহজ উপায় আপনাদের জন্য তুলে ধরা হল। শীতে ত্বকের যত্নের কিছু টিপস নীচে দেওয়া হল - ১. পরিচ্ছন্নতা: শীতকালে ত্বক মসৃণ ও সতেজ রাখার মূল মন্ত্রই হল নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। শীতকালে বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ কমে যাওয়ায় আবহাওয়া হঠাৎ শুষ্ক হয়ে যায়। অন্যদিকে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণও বেড়ে যায়। তাই শুষ্ক ত্বকের যতেœর প্রথম ধাপই হল পরিচ্ছন্নতা। শীতকালে শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকে টান পড়ে,যার ফলে কমবেশি আমরা সবাই শরীরে ময়েশ্চরাইজার লাগায়। যার কারণে আমাদের শরীরে ধুলোবালি বেশি জমে। তাই কোনওদিন স্নান বাদ দেবেন না। এতে শরীর আরও শুকিয়ে যাবে। দরকার হলে হালকা গরম জলে স্নান করুন প্রতিদিন। শীতকালে মুখ ফেস ওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার করার বদলে তুলোয় ক্লিনজিং মিল্ক লাগিয়ে মুখ পরিষ্কার করে মুছে নিন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সাবান যত পারবেন কম ব্যবহার করুন। বদলে লিকুইড সোপ ব্যবহার করতে পারেন। শীতে শরীরের অন্যান্য অংশের যত্ন নিলেও আমদের মধ্যে অনেকেই ভুলে যাই চরণ যুগলের কথা। তাই নজর রাখুন পা ফাটলে একেবারেই নোংরা জমতে দেবেন না। গরম জলে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। ২. খাওয়া দাওয়া: সঠিক খাওয়া দাওয়া ত্বক ভালো রাখতে খুবই জরুরি। প্রচুর মরশুমি ফল ও শাক সবজি খান। গরম হার্বাল চায়ের কোনও তুলনা নেই এইসময়। প্রতিদিন সকালে উঠে ১ চামচ মধু খান। ঠান্ডা যেমন লাগবে না, ত্বকের জেল্লা বাড়বে। ৩. ময়েশ্চারাইজিং: এই সময় ময়েশ্চারাইজিং ভীষণভাবে জরুরি। স্নানের জলে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন ফেলে দিয়ে সেই জলে স্নান করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। স্নানের পর এবং বাড়ি ফিরে হাত, মুখ ধোওয়ার পর ভালো করে হালকা কোনও ময়েশ্চারাইজার মুখে, হাতে পায়ে লাগান। ভারি ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে বাইরে বেরোবেন না। এতে ধুলো ময়লা গায়ে বসে যাবে। ফাটা পা পরিষ্কার করার পর অবশ্যই ভালো ক্রিম লাগিয়ে শুতে যাবেন। ঠোঁট ফাটলে অল্প গ্লিসারিন আঙুলে নিয়ে ঠোঁটে লাগান। সারাদিন লিপ বামের হালকা পরত লাগিয়ে রাখুন।

3221 views

Related Questions