মুসুরডালের পেস্ট?
4 Answers
মসুরের ডাল কাচা গুড়ো করে নিবেন এর পর পরিমান মত দিয়ে দুধ দিয়ে পেষ্ট করুন এমন ভাবে পেষ্ট করুন যেন বেশি ঘন এবং বেশি পাতলা না হয়, ঠান্ডা দুধ ব্যাবহার করতে পারেন, ডাল গুড়ো করে রাখলে আপনি প্রতিদিন দুধ দিয়ে পেষ্ট বানাতে পারবেন।
মুসড়ডাল কিছুসময় ভিজিয়ে রাখুন।( নিজের পরিমান মত)।তারপর তা বেটে অথবা বেলেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।। এরপর দুধ না দিয়ে দুধের সর দিলে বেশি ভাল হয়।এটা খোলা যায়গা রাখলে ৮-১০ ঘন্টা ভাল থাকতে পারে।।।তবে নিয়মিত তৈরি করে তা ব্যবহার করা ভাল।
বিশেষ করে রাতে ব্যবহার করবেন, সকাল এ গোসল করবেন– মসুরের ডাল রাতে দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। সকাল বেলা ডাল পিষে মুখে লাগান। রোজ যদি মুখে এ প্যাকটা লাগান, আপনার চেহারার কালো ভাবটা দূর হয়ে যাবে। মসুরের ডাল পিষে তার মধ্যে মধু এবং দই মিশিয়ে মুখে লাগান। এতে আপনার ত্বক সতেজ হবে। – যদি মুখে বা পিঠে দাগ হয় মসুরের ডালের মধ্যে চালের পেস্ট মিশিয়ে ওর মধ্যে চন্দন গুঁড়ো, মুলতানি মাটি, কমলা লেবুর শুকনো চোকলা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর মধ্যে দুই চামচ শসার রসও মেশাতে পারেন। মুখে এবং শরীরের নানা স্থানে ওই পেস্ট লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার পরে ধুয়ে ফেলুন। – মসুর ডাল গুঁড়ো করে তার মধ্যে ডিমের হলুদ অংশটা মেশান। রোদের মধ্যে এই পেস্ট শুকিয়ে শিশির মধ্যে ভরে রেখে দিন। প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে দুই ফোঁটা লেবুর রসের সঙ্গে এক চামচ দুধ মিশিয়ে মুখে লাগান। আধ ঘণ্টা রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার মুখের রং ফর্সা হয়ে যাবে।
ত্বকে যত্নে যা যা ভূমিকা মশুরের ডালের— ১। ত্বকে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ২। ত্বকের কালচে ভাব দূর করে। ৩। ত্বক অর্থাৎ স্কিনকে টান টান রাখে। ৪। ত্বকের বলিরেখা দূর করে। ৫। রঙ ফর্সা করে। ৬। ত্বকের লুকানো ময়লা পরিষ্কার করে। উপরোক্ত সকল কিছু আপনি ত্বকের যত্নে মশুরের ডালে পেয়ে থাকবেন। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল কিভাবে এ ডাল আপনি ত্বকে ব্যবহার করবেন। মশুরের ডালের প্যাক তৈরির নিয়ম— মশুরের ডালকে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ডালের পেষ্ট তৈরী করুন। এরমধ্যে ২ চামচ দুধ দিন। এরপর মিক্স করে ভাল করে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার আপনি মশুরের ডালের প্যাকটিকে আপনার ত্বকে প্রতিদিন ১ বার করে ব্যবহার করুন। খুব তাড়াতাড়িই আপনি এর সুফল দেখতে পারবেন।