1 Answers
ঠিকাদার এবং ইট ব্যবসায়িদের দ্বারা এই অঞ্চলটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারতো যদি না ১৯৪৪ - ৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এটি কর্তৃপক্ষের নজরে আসতো। অবশ্য এর পরও ময়নামতী সেনানিবাস তৈরির সময় বিহারটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পর থেকে নিয়মিত খনন কাজ শুরু হয়। প্রাথমিক খননকাজের পর খননকাজ আর তেমন এগোয়নি। আনন্দবিহারের খননকাজ এখনও সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। উত্তর সারির কয়েকটি কক্ষ এবং মাঝখানে অবস্থিত মন্দিরটির দক্ষিণ দিকের অংশবিশেষের খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে অনেক অংশেই খনন করা হয়নি।
2487 views
Answered