3 Answers
শীতের পুরো সময় জুড়ে রুক্ষ ও মলিন ত্বকের জন্য বেশ বিব্রতও হতে হয়। শীতে ছেলেদের ত্বক হয় অনেক বেশি রুক্ষ তাই বিশেষ করে গোসলের পর ত্বকের রুক্ষভাব আরো ফুটে ওঠে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে সঠিকভাবে এর যত্ন নিতে হবে। সঠিক যত্ন না নিলে চোখের নিচে কালো দাগ পড়তে পারে এবং চামড়া রুক্ষ হয়ে যায়। এ বিষয়ে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব ছেলেদের ত্বক রুক্ষ তাদের উচিৎ উন্নতমানের ক্রিম ব্যবহার করা। কারণ, প্রসাধনীর মান ভালো না হলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। ক্রিম, লোশন, সাবান: সব ধরনের প্রসাধনীই বাড়তি ময়েশ্চারাইজারযুক্ত হতে হবে। অল্প সময় নিয়ে কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে হবে। গোসলের পরে সারা শরীরে লোশন লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হব। ত্বকে ভালোভাবে মিশে গেলে নিশ্চিন্তে বাইরে বেরোতে পারবেন। যাদের রোদে বেশি থাকতে হয়, তাদের সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ। শুষ্ক বা শীতের মৌসুমে ছেলেদের উচিৎ ময়েশ্চারাইজ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা। বাজারে ভালো মানের নন-কমিডোজেনিক সানস্ক্রিন লোশন পাওয়া যায় এবং সান প্রটেকশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ ৩০র কম নন- কমিডোজেনিক সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার না বেছে নেয়া ভালো। আর শেভ করার পর ক্রিম লাগিয়ে নিতে হবে। তাহলে ত্বকে ফাটল ধরবে না। যারা কম দামী রেজার , সাবান ও পুরাতন সুগন্ধি ব্যবহার করেন তাদের ত্বকের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। তাছাড়া রোদে ঘুরাঘুরির কারণে ত্বক রুক্ষ হওয়া সহ ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সঠিকভাবে শেইভ করা, ত্বকের নমনীয় ভাব বজায় রাখা সহ ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ত্বকের সঠিক যত্ন নিতে হবে। ওটমিল স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ভালো তেমনই ত্বকের জন্য বেশ কার্যকরী। মধু প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের নানা ধরণের সমস্যা দূর করে দেয় নিমেষেই। সে জন্য ২ টেবিল চামচ ওটসে ১ টেবিল চামচ মধু ও সামান্য পানি মিশিয়ে ভালো করে মাস্কের মতো তৈরি করে নিন। এরপর এই মাস্ক দিয়ে পুরো ত্বক ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন। তারপর ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর এভাবেই ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন ও সেট হতে দিন মাস্ক। ভালো করে ত্বক ধুয়ে পরিষ্কার করে মুছে ফেলুন। সময় করে যত্ন নিন এই শীতে ত্বকের সুস্থতা ধরে রাখুন।
শীতে ছেলেদের ত্বক হয় অনেক বেশি রুক্ষ; বিশেষ করে গোসলের পর ত্বক হয় খসখসে। এই শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি পেতে হলে সঠিকভাবে এর যত্ন নেওয়া চাই। কারণ, ত্বকের যত্ন ঠিকভাবে না নিলে চোখের নিচে কালো দাগ পড়তে পারে এবং চামড়া শুষ্ক হয়ে যায়। এ বিষয়ে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক আফজালুল করিম বলেন, বাজারে ছেলেদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্রিম ও লোশন রয়েছে। কিন্তু যাচাইবাছাই করে ভালো মানের ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। কারণ, প্রসাধনী ভালো মানের না হলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। ছেলেদের ত্বকের যত্নে তাঁর পরামর্শ হলো— খুব বেশি গরম পানি ব্যবহার করা যাবে না। অল্প সময় নিয়ে কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে হবে। ক্রিম, লোশন, সাবান—সব ধরনের প্রসাধনীই বাড়তি ময়েশ্চারাইজারযুক্ত হতে হবে। শেভ করার পর ক্রিম লাগানো উচিত। তাহলে ত্বকে ফাটল ধরবে না। যাঁদের রোদে বেশি থাকা হয়, তাঁরা সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। গোসলের পর লোশন লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। সেটি যেন ত্বকে ভালোভাবে মিশে যায়। তারপর বাইরে বেরোতে হবে। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বেশি ওঠে। এ ছাড়া ধুলাবালুর কারণে ছেলেদের ত্বক পরিষ্কার করতে হয় বারবার। এ প্রসঙ্গে পারসোনা অ্যাডামসের শাখা ব্যবস্থাপক মো. মাসুম বিল্লাহ খান বলেন, ছেলেদের অয়েল কন্ট্রোল ফেসওয়াশ (ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণে রাখে এমন) ব্যবহার করা উচিত। তাহলে ত্বক ভালো থাকবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে ছেলেদের জন্য নানা ব্র্যান্ডের যেসব ক্রিম পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করার আগে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। তা নাহলে ক্রিম কাজ করবে না। এ ছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে ম্যাসাজ ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বক ঠান্ডা থাকে এবং ব্রণ ওঠে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। যদি রোদে বেশি থাকা হয়, তাহলে সানস্ক্রিন লাগিয়ে ঘর থেকে বের হওয়াই ভালো। অবসর পেলে ভেষজ কোনো প্যাক লাগানো যেতে পারে। যাঁরা প্যাক লাগাতে চান না, তাঁরা কমলালেবু কিংবা পাকা টমেটো মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ভালোভাবে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বক পরিষ্কার হবে। ত্বকের যত্নের জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। এ ছাড়া যতটা সম্ভব কম রাত জাগা উচিত; সঙ্গে খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে প্রতিবেলাতেই শাকসবজি রাখতে হবে। ফল খেতে হবে এবং শুকনো খাবার যতটা সম্ভব কম খেতে হবে। ত্বকের যত্নের জন্য মাসে দুবার ফেসিয়াল করা যেতে পারে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy