2 Answers
যৌন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়।
দাম্পত্য সুখ শান্তি বিঘ্নিত হয়।
সাংসারিক শান্তি নস্ট হয়।
জৈব চাহিদা মেটাতে স্ত্রী পর পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
স্ত্রী সর্বদাই মানসিক অশান্তিতে ভোগে এবং স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তির অভাব হয়।
পুরুষের পুরুষোচিত গুনাবলীর বিকাশ হয় না।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুক্র কীট ঠিকমত না থাকার দরুন সন্তান সৃষ্টি বিঘ্নিত হয়।
মনে মনে কামভাব থাকলেও যৌন সুখ না হবার দরুন মানসিক অবসাদ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ এই জাতীয় হতাশায় ভুগলে মানসিক বৈকল্য দেখা দিতে পারে।
তথ্যসূত্র :- বাংলা সেক্স হেলথ.কম
ধ্বজভঙ্গ, যৌন দুর্বলতা এবং তার হোমিওপ্যাথিক সমাধান আমাদের দেশে পুরুষদের যৌন দুবর্লতার সমস্যা মনে হয় খুবই বেশী। অন্তত রাস্তাঘাটের দেয়ালে দেয়ালে যে-সব ডাক্তারী বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলো দেখলে যে-কারো এমন ধারণা হওয়াই স্বাভাবিক। আবার এসব বিজ্ঞাপনের বেশীর ভাগই দেখা যায় হোমিও ডাক্তারদের বিজ্ঞাপন। এতে অনেকের মনে হতে পারে যে, সম্ভব হোমিওপ্যাথিতে যৌন রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে। হ্যাঁ, বাস্তবেও কথাটি সত্য। অন্য যাবতীয় রোগের মতো যৌনরোগেরও সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা আছে হোমিওপ্যাথিতে। এবার আসুন ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ সম্পর্কে জানি। ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ :- দুই মাসেরও অধিক সময় যাবৎ যৌন ক্রিয়ার প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব না করা। যৌন মিলন এড়িয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন মিলনের বাসনা অত্যন্ত কম অনুভব করা, কিংবা যৌন মিলনের প্রতি দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বেগ থাকা। কখনও কখনও আগেই বীর্যপাত ঘটা, যৌন মিলনের সময় ব্যথা হওয়া, অক্ষমতা কিংবা তীব্র যৌন সুখ পেতে অক্ষমতা। আমাদের কাছে যৌনসমস্যা নিয়ে যত রোগী এসেছেন, তাদের প্রত্যেকেই বলেছেন যে, এলোপ্যাথিক বা কবিরাজি চিকিৎসায় তারা কোন সত্যিকারের উপকার পান নাই। (যতদিন ঔষধ খাই ততদিনই ভাল থাকি ; ঔষধ বন্ধ করলেই অবস্থা আগের মতো।) অন্যদিকে মহিলাদেরও যৌন দুরবলতা, যৌনকর্মে অনীহা ইত্যাদি থাকতে পারে এবং হোমিওপ্যাথিতে তারও চমৎকার চিকিৎসা আছে। আবার নারী-পুরুষ উভয়েরই যৌনশক্তি মাত্রাতিরিক্ত থাকতে পারে এবং অনেকে সময়মতো বিবাহ করতে না পারার কারণে অথবা অকালে স্ত্রীর মৃত্যু-তালাক-বিধবা হওয়ার কারণে তাদের যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারেন না এবং এই সমস্যা নিয়ে তারা বিপদে পড়েন। এসব ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধের মাধ্যমে কিছুদিনের জন্য যৌনশক্তি কমিয়ে রাখা যায় এবং এতে আপনার শরীরের বা যৌনশক্তির কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নাই। তবে যে কোন পুরুষের যৌন দুর্বলতার চূড়ান্ত লক্ষণ হলো ধ্বজভঙ্গ। আপনি যদি উত্তেজক অ্যালোপ্যাথি বা হারবাল মেডিসিনের উপর নির্ভর করেন তাহলে আপনাকে সারা জীবন ঔষধ খেয়ে যেতে হবে। কিন্তু সবচেয়ে বিপদের বিষয় হলো কিছু দিন এই গুলো কন্টিনিউ করলেই আর সেগুলো কাজ করে না শুধু তাই নয়, এর সাথে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে আরম্ভ করে। অথচ অল্প কিছুদিন সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা নিলেই আপনি সারা জীবনের জন্য ভাল হচ্ছেন। এটা হয়ত আপনার বিশ্বাস নাও হতে পারে। যারা হোমিওপ্যাথিকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন, তারা অন্তত একবার ভাল কোন হোমিওপ্যাথের কাছ থেকে ট্রিটমেন্ট নিয়ে দেখুন ইনশাল্লাহ আপনার সমস্থ ভুল ধারণা দূর হয়ে যাবে।