1 Answers

বেশির ভাগ মানুষের সাধারণ কথাগুলোর তারতম্য, ভয়েস ডেলিভারী, হার্টবিট, নার্ভের পালস্ ইত্যাদি যেমন থাকে, মিথ্যে কথা বলার সময় তা থাকে না। গলার স্বর কাঁপে (ঘাঁঘু মিথ্যেবাদী হলেও হালকা কাঁপবে), হার্টবিট বা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, নার্ভের পালস্ রেট ঘন হয়ে যায় বা, বেড়ে যায়, এমন কি দেহের আদ্রতা ও উষ্ণতাও বৃদ্ধি পায়। অত্যাধুনিক লাইডিটেক্টরগুলো সাধারণত এগুলোর উপর ভিত্তি করেই সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করে। সিনেমা/নাটকে দেখে থাকবেন, সত্য মিথ্যা নির্ণায়ক যন্ত্র অনেকটা হাসপাতালের পালস্ মিটার যন্ত্রগুলোর মত রিপোর্ট দিতে থাকে হার্টবিটের। তবে, অতীব ঠান্ডা স্বভাবের কিছু মানুষ রয়েছেন, যারা যোগ ব্যায়ামে বিশেষ পারদর্শী তারাও রয়েছেন, যারা এই নির্ণায়ককে ফাকি দিতে পারে। নিজের হৃদস্পন্দনকে শান্ত রেখে যা বলবেন, নির্ণায়ক তাকেই সত্য হিসেবে ধরে নেয়। তাই, এই নির্ণায়ক এখনো কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে ব্যবহার করার আবশ্যিকতা অর্জন করে নিতে পারে নি। ছোটখাট কেসগুলোতে এই যন্ত্র ব্যবহার করা হলেও বড় বড় কেসে অফিসিয়ালি এর ব্যবহার কোথাও হয় বলে এখনো শুনি নি।

2522 views Answered

Related Questions

Next steps