1 Answers

ল্যাংটা বাবার মাজার নিয়ে রহস্যের সমাধানঃ চাঁদপুরের মতলব থানার বদরপুরে হযরত শাহ্ সোলায়মান নামে আল্লাহর এক অলীর মাজারকে পুঁজি বানিয়ে ব্যবসা খুলে বসেছিলো একটি অসভ্য চক্র। মাদকের আখড়া নাকি মেলা নাকি মাদকের আসর নাকি আল্লাহর অলীর মাজার? আসলে খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় নেই আসলে এখানে কি চলছে? চলুন একুশের চোখের গোপন টিমের মাধ্যমে দেখে আসা যাক ভেতরের কি চলছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন যায়গার লোকজনের সপ্তাহ ধরে যাওয়ার গন্তব্য ল্যাংটা বাবার মাজার। ভক্তরা যখন ঢাকা এবং নারায়নগঞ্জের লঞ্চঘাট দিয়ে ল্যাংটা বাবার মাজারে যাচ্ছিলেন, তখন একুশের টিম তাদের ক্রু নিয়ে ছুটলো সড়ক পথে। মাজারের পাশেই বেলতলী লঞ্চঘাট। একুশের টিম সেখানে পৌছার পূর্বেই সেখানে ভিড়েছে প্রায় ডজন খানেক ছোট এবং মাঝারী সাইজের লঞ্চ। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে ভক্তরা লঞ্চে করে এসেছেন। ঝাকে ঝাকে মানুষ দল বেঁধে ছুটছেন ল্যাংটা বাবার মাজারে। লঞ্চঘাট থেকে মিনিট দশের রাস্তা পাড় হলেই হযরত সোলায়মান শাহর মাজার। কেউ গরু কেউ ছাগল, যে পেরেছেন তাই নিয়ে এসেছেন বাবার মাজারে কিছু পাবার আশায়। কিন্তু আসলে কি যে পাবেন তা হয়তো কেউই জানেন না কিন্তু যা পাবার আশায় এসছেন বাবার দরবারে, বাবার দরবারে যে পাক পবিত্রতা থাকার কথা সেটি কি আসলেই আছে? একপাশে জুয়ার আসর বসানো হয়েছে অন্যপাশে যে পারছেন তাই করছেন। সব মিলিয়ে এই বাবার দরবারকে একটা ভন্ডামীর আসর বানিয়ে দিয়েছেন এখানে আসা লোকজন।

 

কথিত আছে প্রায় দেড়শ বছর আগে হযরত শাহ সোলায়মান নামে আল্লাহর এক ওলী ছিলেন। বিভিন্ন ধরনের আধ্যাতিক ক্ষমতার অধিকারী বলেই তিনি কোন পোশাক পরতেন না।  তাকে সবাই ল্যাংটা বলে ডাকতো। অন্যান্য গাউস, কুতুব ওলীদের মতোই তিনি জীবদ্দশায় নিজেকে ওলী বলে দাবী করেন নি। কারো কাছ থেকে কোন দয়া দাক্ষিন্য গ্রহন করেন নি। কিন্তু তার মৃত্যুর পর থেকেই তার দুঃসম্পর্কের আত্নীয়রা মাজারে দান বাক্সের নামে শুরু করেছে ধান্ধাবাজির ব্যবসা। এমন নিকটা আত্নীয়রা প্রায় ২৫ জন দাবী করছেন তারাও নাকি এখন আল্লাহর ওলী। একুশের টিম ওখানকার দায়িত্বে একজনকে জিজ্ঞেস করেন, ‘জনগন যে টাকা দিচ্ছে সেটা ওলীর উত্তরসূরীরা পাবে। তাইনা?’ উত্তরে দায়িত্বশীল ব্যক্তি বলেন, শরীয়তে বলছে তিনভাগের একভাগ আল্লাহর ওয়াস্তে…একুশের চোখ টিম বাকি দুভাগের কথা জিজ্ঞেস করতেই ওই ব্যক্তি তাৎক্ষনিকভাবে ক্ষেপে যান। হুজুগে নাচা বাঙ্গালিও এইসব উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া পীরদের দান বাক্স একদম ভরে দিচ্ছেন।

ভন্ডামীর একটা শেষ থাকা দরকার। প্রিয় পাঠক, মতলবের ল্যাংটা বাবার মাজারে চলমান অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করতে রাষ্ট্রের কি কোন দায়িত্ব নেই? এই ভন্ডামি কি একুশের টিম বন্ধ করতে সহায়তা করতে পেরেছিলো? নাকি এখনো চলছে এইসব অনৈতিক কর্মকান্ড? জানতে হলে পুরো ভিডিওটি দেখুনঃ

https://youtu.be/CwNNUOr5J0Q

79260 views Answered

Related Questions

Next steps