1 Answers
Balance of Trade বা বাণিজ্যের ভারসাম্য অর্থাৎ কোন দেশের অর্থনীতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট রপ্তানি ও মোট আমদানির আর্থিক মূল্যের পার্থক্য। যখন আমদানির চেয়ে রপ্তানি বেশি হয় তখন তাকে বলে Trade Surplus বা Positive Trade Balance বা Surplus Balance of Trade বাণিজ্যের উদ্বৃত্ত ভারসাম্য বা ইতিবাচক ভারসাম্য এবং যখন রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেশি হয় তখন সেটিকে বলে Trade Deficit বা Negative Trade Balance বা Deficit Balance of Trade বা বাণিজ্যের ঘাটতি ভারসাম্য বা নেতিবাচক ভারসাম্য। আবার যখন আমদানি ও রপ্তানি সমান হয় সেটিকে বলে Zero Trade Balance বা শুন্য ভারসাম্য। একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশ কর্তৃক বিভিন্ন খাতে বিশ্বের অন্যান্য সকল দেশকে পরিশোধিত এবং অন্যান্য দেশসমূহ থেকে গৃহীত সর্বপ্রকার আন্তর্জাতিক লেনদেনের সমন্বিত হিসাবকে বলে Balance of Payments বা লেনদেন ভারসাম্য। কোন দেশের আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান দ্রব্য, সেবা আমদানি রপ্তানি, মূলধন তহবিলসহ বিদেশে সর্বপ্রকার অর্থ প্রেরণ এবং বিদেশ থেকে গ্রহণ সংক্রান্ত লেনদেনে সমূহের পার্থক্যই লেনদেন ভারসাম্য বা বিনিময় ভারসাম্য। বিনিময় ভারসাম্য হিসাবের সব উপাদান যখন অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তার যোগফল অবশ্যই শুন্য হবে। তাতে সামগ্রিক ভাবে কোন উদ্বৃত্ত বা ঘাটতি থাকতে পারে না। উদাহরন স্বরুপ বলা যায়, একটি দেশ যদি রপ্তানীর থেকে বেশি আমদানি করে, তবে সে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি হবে। কিন্তু এই ঘাটিতি অবশ্যই অন্যান্য উপায়ে পূরণ করতে হবে। সেটা হতে পারে বিদেশি বিনিয়োগ থেকে অর্জিত তহবিলের মাধ্যমে কিংবা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ খরচ করে অথবা অন্য দেশ কিংবা বৈশ্বিক ব্যাংক (বিশ্ব ব্যাংক) কিংবা আঞ্চলিক (এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) ব্যাংক কিংবা গোষ্ঠী ব্যাংক (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) থেকে ঋণ গ্রহণ করে। ধন্যবাদ