2 Answers
ইসলামের বিধান অনুযায়ী নারী নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে হারাম
.
সকল মাজহাবের ফুকাহায়ে কেরাম এ ব্যাপারে একমত যে, নারীদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্পণ করা জায়েজ নেই। এই পদের জন্য প্রাথমিক একটি শর্ত হল তাকে পুরুষ হতে হবে।[১] এমনকি যারা নারীদের রাজনৈতিক অধিকারের কথা বলেন এবং রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের প্রতি জোর দেন, তারাও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ক্ষেত্রে নারীদেরকে সমর্থন করেন না। এক্ষেত্রে তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীত্বের পদ কেবল পুরুষের জন্যই। নারীর জন্য নয়।[২]
.
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই মতের প্রবক্তারা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদকে ইসলামি শাসন ব্যবস্থার প্রধান নেতা (খলিফা) এর পদের মতোই মনে করেন।[৩] নারীর ক্ষমতায়নকে হারাম সাব্যস্তকারী উলামা ফুকাহাগণ তাঁদের মতের বিশুদ্ধতা প্রমাণের জন্য কুরআন সুন্নাহ ইজমা ও কিয়াস (শরঈ যুক্তি) এর মাধ্যমে দলিল দিয়ে থাকেন।
কুরআনে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ পুরুষেরা নারীদের ওপর কর্তৃত্বশীল। এজন্য যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের ওপর মর্যাদা প্রদান করেছেন এবং এজন্য যে, পুরুষেরা তাদের ধন-সম্পদ হতে ব্যয় করে।[৪]