কোরআন হাদীসের আলোকে ব্যাখ্যা দিন।
3120 views

2 Answers

ইসলামে নারী নেতৃত্ব কোনভাবেই জায়েজ নয়।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ সে জাতি কখনো সফলকাম হবে না, যারা তাদের শাসনভার কোনো স্ত্রীলোকের হাতে অর্পণ করে। (সহীহ বুখারিঃ ৭০৯৯ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৬০৪; ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৬১৮)

আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ স্ত্রীদেরও নিয়ম অনুযায়ী পুরুষদের ওপর অধিকার রয়েছে। আর নারীদের ওপর পুরুষদের রয়েছে শ্রেষ্ঠত্ব। (সূরা বাকারাঃ ২২৮)

এ আয়াতে মর্ম হলো নারীদেরও পুরুষদের ন্যায় উত্তম আচার-আচরণ পাবার অধিকার রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে নারীদের যে সমান অধিকারের প্রতিবাদ করা হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। আবার এও বলা হয়েছে “নারীদের ওপর পুরুষদের রয়েছে শ্রেষ্ঠত্ব”। এই শ্রেষ্ঠত্বই ক্ষমতা। 

অতএব পুরুষেরা আদেশ দেবে, আর নারীরা তা মেনে চলবে।
3120 views

ইসলামের বিধান অনুযায়ী নারী নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে হারাম

.

সকল মাজহাবের ফুকাহায়ে কেরাম এ ব্যাপারে একমত যে, নারীদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্পণ করা জায়েজ নেই। এই পদের জন্য প্রাথমিক একটি শর্ত হল তাকে পুরুষ হতে হবে।[১] এমনকি যারা নারীদের রাজনৈতিক অধিকারের কথা বলেন এবং রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের প্রতি জোর দেন, তারাও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ক্ষেত্রে নারীদেরকে সমর্থন করেন না। এক্ষেত্রে তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীত্বের পদ কেবল পুরুষের জন্যই। নারীর জন্য নয়।[২]

.

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই মতের প্রবক্তারা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদকে ইসলামি শাসন ব্যবস্থার প্রধান নেতা (খলিফা) এর পদের মতোই মনে করেন।[৩] নারীর ক্ষমতায়নকে হারাম সাব্যস্তকারী উলামা ফুকাহাগণ তাঁদের মতের বিশুদ্ধতা প্রমাণের জন্য কুরআন সুন্নাহ ইজমা ও কিয়াস (শরঈ যুক্তি) এর মাধ্যমে দলিল দিয়ে থাকেন।

কুরআনে আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ পুরুষেরা নারীদের ওপর কর্তৃত্বশীল। এজন্য যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের ওপর মর্যাদা প্রদান করেছেন এবং এজন্য যে, পুরুষেরা তাদের ধন-সম্পদ হতে ব্যয় করে।[৪]

3120 views

Related Questions