1 Answers

রুটিং এর  মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ ডিভাইসের নিয়ন্ত্রন হাতে নিয়ে আসার সম্ভাবনা। একজন সুপার ইউসার ডিভাইসের সিস্টেম ফাইলে প্রবেশাধিকার রয়েছে। সুপার ইউসার অপারেটিং সিস্টেম এর সকল কিছুই নিয়ন্ত্রন করতে পারবে, এক্ষেত্রে একমাত্র সীমাবদ্ধতা ব্যবহারকারীর প্রোগ্রামিং দক্ষতা। রুট করা ডিভাইস থেকে অবিলম্বে নিচের সুবিধাগুলো পাওয়া যেতে পারে:


থিমের জন্য সাপোর্ট দেয়া। ব্যাটারি আইকনের রং পরিবর্তন থেকে শুরু করে ফোন অন বা অফ হওয়ার সময়ের স্ক্রিন(বুট অ‍্যানিমেশন) পর্যন্ত পরিবর্তন করা যায়। আরো নানা রকমের সুবিধা তো আছেই।

কার্নেলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, উদাহরণস্বরূপ, সিপিউ এবং জিপিউ এর ওভারক্লকিং ও আন্ডারক্লকিং।

সকল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন ব্যাকআপ করার সক্ষমতা, কোন কিছু রিষ্টর করা, অনেক অ্যাপ্লিকেশন একসাথে সম্পাদনা করা অথবা এমন কোন অ্যাপ্লিকেশন মুছে ফেলা, যা প্রস্তুত কারক দ্বারা স্থায়ি ভাবে ইন্সটল করা থাকে।

সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।

ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু, বুট লগো, ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন পরিবর্তন করা যায়। ডিভাইসে নতুনত্ব তৈরি করা যায় নতুন কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের ব্যবহার করে।

বিভিন্ন গেমস ও অ্যাপ ব্যবহার ও হ্যাক করতে রুট অ্যাক্সেস প্রয়োজন। ফোন রুটা করার মাধ্যমে বিভিন্ন গেম হ্যাক করা যায়।

থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সিস্টেমের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করা। 

কাস্টম রম বা কাস্টম ফার্মওয়্যার ইন্সটল করার সুযোগ দেয়, যা রুট করা ডিভাইসে আরো কিছু অতিরিক্ত মাত্রার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রদান করে। (যদিও রুট ছাড়াও কাস্টম রিকভারির মাধ্যমে কাস্টম রম ইন্সটল করা সম্ভব)


2604 views Answered

Related Questions

Next steps