2688 views

1 Answers

যুক্তরাজ্যের প্রেসিডেন্ট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেক্টোরাল কলেজ বা ইলেক্টোরাল ভোটের বিষয়টি অনেক আলোচিত হয়ে থাকে। বলা হয়ে থাকেÑ কোনো প্রার্থী ভোটারদের সমর্থন পেলেও প্রয়োজনীয় ইলেক্টোরাল ভোট না পেলে তিনি নির্বাচিত হতে পারবেন না। হ্যাঁ, এটিই সত্যি। প্রকৃতপক্ষে ইলেক্টোরাল কলেজ হচ্ছেÑ প্রতি চার বছর পর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার কাঠামো। অন্যভাবে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় না। মূলত ভোটাররা ‘ইলেক্টোরস’ পছন্দ করেন। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা ওই অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসের সদস্যের সমান। এ ছাড়া অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যা আনুপাতিক হিসেবেও ইলেটোরাল ভোটের সংখ্যা নির্ধারিত হয়। বর্তমানে দেশটিতে ৫৩৮ ইলেক্টোরাল ভোট রয়েছে। কোনো প্রার্থীকে জয়ী হতে হলে তাকে ২৭০ ইলেক্টোরাল ভোট সংগ্রহ করতে হবে। বেশিরভাগ রাজ্যেই প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের যত বেশি ভোটই পাক না কেন, তাতে কোনো লাভ হয় না। ধরা যাক, ক্যালিফোর্নিয়ায় ৯৯ শতাংশ ভোটার হিলারি কিনটনকে ভোট দিয়েছেন, তিনি ওই রাজ্যের পুরো ৫৫টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পাবেন। যদি তিনি ওই রাজ্যের ৫১ শতাংশ ভোটও পান, তবুও তিনি ৫৫টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পাবেন।

ইলেক্টোরাল কলেজের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করা হয়ে থাকে দলীয় ভিত্তিতে। ৫৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজের মধ্যে যিনি ন্যূনতম ২৭০টি পাবেন, তিনিই বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বলে ঘোষিত হবেন। এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে তার রানিংমেট আপনা-আপনিই নির্বাচিত হয়েছেন বলে বিবেচিত হবেন। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে একটি রাজ্যের প্রতি সদস্য এবং প্রতিটি রাজ্যের দুজন সিনেটরের জন্য একজন ইলেক্টোর রয়েছে।

"

2688 views