4 Answers
ইনফ্রারেড (Infrared) সিস্টেম হলো এক ধরনের Electro Magnetive ওয়েভ। ৩০০ গিগাহার্জ হতে ৪০০ টেরাহার্জ পর্যন্ত ফ্রিকোয়েন্সীকে ইনফ্রারেড বলা হয়। এটি একেবারে নিকটবর্ত ডিভাইসের মধ্যে ডেটা কমিউনিকেশনের জন্য উপযোগী। এটির ফ্রিকোয়েন্সী সীমা টেরাহার্টজে হয়ে থাকে। এই প্রযুক্তি সিগন্যাল ট্রান্সমিট করার জন্য ইনফ্রারেড মানের আলো ব্যবহার করে থাকে।
এছাড়া, ইনফ্রারেড সিগন্যাল শক্তিশালী আলোক উৎসের সংস্পর্শে এলে এর অস্তিত্ব লোপ পায়। ইনফ্রারেড সিগন্যাল দুটো পদ্ধতিতে ট্রান্সমিশনের কাজ করে। তাহলোঃ
- পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট (Point-to-Point)
-
ব্রডকাস্ট (Broadcast).
.৭-৩০০ মাইক্রোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে আলো যা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন হিসেবে ১-৪৩০ টেরাহার্জ (১০০০ হার্জ = ১ কিলোহার্জ; ১০০০ কিলোহার্জ = ১ মেগাহার্জ; ১০০০ মেগাহার্জ = ১ গিগাহার্জ; ১০০০ গিগাহার্জ = ১ টেরাহার্জ) কম্পাঙ্কবিশিষ্ট। এই আলো মানুষের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। আবার আলোর তরঙ্গতত্ত্ব মতে, এর কম্পাঙ্কের ফলে সৃষ্ট শব্দ আমাদের পক্ষে শোনা সম্ভব নয়।
ইতিমধ্য দুই জন উত্তর প্রদান করেছে বিস্তারিত ভাবে, তবে আমি সমান্য কিছু বলবো। ইনফ্রারেড হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি বা মাধ্যম যা দুটি ডিভাইসের তথ্য আদান প্রদান করার কাজে ব্যবহার করা হয়, ঠিক ব্লুটুথ এর মত করে। তবে এক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্লুটুথ এর চেয়ে খুব কম শক্তিশালি। দুটি ডিভাইসকে খুব কাছাকাছি এনে ইনফ্রারেড এর মাধ্যমে ডাটা আদানপ্রদান করা হয়। NOKIA N73 বা N70 ফোনে আমি এই ইনফ্রারেড পদ্ধতি দেখেছি। তবে বর্তমান এর ব্যবহার নেই বললেই চলে।