1 Answers
নতুন একটি শব্দ এসেছে যাকে আমরা বলি সাইকো এডুকেশন। এখানে অনেক বড় একটি বিষয় থাকে, রোগটি যে এ রকম একটি রোগ, রোগীকে সেটা বোঝাতে হবে। পাশাপাশি রোগীর যারা পরিবারের লোকজন থাকে, অফিসে লোকজন যদি সম্ভব হয়, ওনাদেরও এই বিষয়ে জ্ঞান দিতে হবে। যেমন : এই রোগের কারণে মৃত্যুর কোনো কারণ নেই। যদি আমরা চুপ করে থাকতে পারি। এবং অবস্থা যদি আওতায় থাকে আধাঘণ্টার মধ্যে এটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। এ বিষয়ে বেশ কিছু শিথিলকরণ প্রশিক্ষণ আছে। শিথিলকরণ ব্যায়াম শিখিয়ে দিতে হবে বা মেডিকেশনের একটি বিষয় রয়েছে। মেডিকেশন যেটা করে, রোগটি বারবার হওয়ার বিষয়টিকে কমিয়ে দেয়। এটার মারাত্মক বিষয়টিকেও কমিয়ে দেয়।
পাশাপাশি সাইকোথেরাপি, কাউন্সেলিং যেটা সেটাও করানো যেতে পারে। অসুস্থ হওয়ার কারণে তার দৈনন্দিন কার্যক্রম যেন বন্ধ না হয়। আসলে সম্পূর্ণ বিষয়টি যদি ভালোভাবে চিকিৎসা করা যায়, এই রোগীরা খুব ভালো থাকেন।প্যানিক অ্যাটকের জন্য তখন কোনো না কোনো বিশেষজ্ঞের( মনোরোগ বিশেষজ্ঞের) কাছে যেতে হবে।
সোর্স: Ntv Online