1 Answers

হুসাইন র.এর শাহাদাতের পর তাঁর মাথা মোবারককে ওবাইদুল্লাহ বিন যিয়াদের দরবারে পাঠানো হয়। ওবইদুল্লাহ হযরতের মাথা মোবারকের সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে। এতে সেখানে উপস্থিত বিশিষ্ট সাহাবি যায়দ বিন আরকাম র. প্রতিবাদ করলে ওবাইদুল্লাহ বিন যিয়াদ তাঁর সাথেও রূঢ় আচরণ করে। পরদিন পরদিন আহলে বাইতের বেঁচে যাওয়া সদস্য যাদের মধ্যে যয়নুল আবেদীন আলী ইবনে হুসাইন, এবং হুসাইন র.এর বোন যয়নবসহ অন্যান্য মহিলাগণ ছিলেন সকলকে ওবাইদুল্লাহ বিন যিয়াদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ওবাইদুল্লাহ যয়নুল আবেদীনকে হত্যা করতে মনস্থ্য করলেও জনরোষের ভয়ে নিবৃত্ত থাকে। ৩য় দিন আহলে বাইতকে দামেস্কে ইয়াযিদের উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়। দামেস্কে পৌঁছার পর ইয়াযিদ ঘটনার আদ্যোপান্ত শুনে যারপরনাই দঃখ প্রকাশ করে। এবং পুরো ঘটনাকে ওবাইদুল্লাহর কারসাজি হিসেবে আখ্যায়িত করে। ইয়াযিদ এও বলে যে,"হুসাইনের বিষয়টি যদি আমার হাতে সোপর্দ করা হতো তাহলে আমি কিছুতেই তাকে হত্যা করতে দিতাম না।" এরপর ইয়াযিদ ও তার পরিবার আহলে বাইতের প্রতির সমবেদনা প্রকাশ করে। এবং তাদের জন্য যথোপযুক্ত মেহমানদারীর ব্যবস্থা করে। কয়েকদিন মেহমানদারীর পর তাদেরকে এইখতিয়ার দেয় যে,"আপনারা চাইলে দামেস্কে থেকে যেতে পারেন,আর চাইলে মদীনায়ও যেতে পারেব"। আহলে বাইত মদীনায় চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ইয়াযিদ তাদেরকে প্রটোকল দিয়ে মদীনায় পাঠিয়ে দেয়। উল্লেখ্য,ইয়াযিদ হুসাইন র. এর শাহাদাতে দুঃখ প্রকাশ করলেও নাটের গুরু ওবাইদুল্লাহ বিন যিয়াদ, শিমর বিন যীল জওশন গংদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নি।

3196 views

Related Questions