1 Answers
এই ঘটনার পিছনে দায়ী হলো কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ।
প্ল্যাঙ্কের সূত্র অনুযায়ী কৃষ্ণ বস্তুর তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ এতে প্রযুক্ত তাপের সমানুপাতিক।
কক্ষ তাপমাত্রায় কৃষ্ণবস্তু সাধারণত ইনফ্রা-রেড রশ্মি বিকিরণ করে যা কিনা আমাদের দৃশ্যমান অঞ্চলের নিচে অবস্থিত। তাপ প্রয়োগে কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ কম্পাঙ্ক বাড়ে ফলে এটি ইনফ্রা-রেড থেকে লাল আলোর অঞ্চলে প্রবেশ করে। তাপ বাড়াতে থাকলে এটি যথাক্রমে কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল এবং বেগুনী রঙ ধারণ করে। সবুজ রঙের তীব্রতা কম বলে এটি আমরা সরাসরি দেখতে পাইনা। কম্পাঙ্ক নীল আলোর অঞ্চলে প্রবেশ করলে আমাদের চোখে নীলচে সাদা রঙ হিসেবে ধরা দেয়, বেগুনী রঙের অঞ্চলে প্রবেশ করার আগেই এটি আমাদের নিকট সম্পূর্ণ সাদা রঙ হিসেবে উপস্থিত হবে।
অর্থাৎ দৃশ্যত কৃষ্ণবস্তুতে তাপ প্রদান করা হলে এটি যথাক্রমে লাল, কমলা, লালচে-হলুদ, নীলচে-সাদা এবং সাদা রঙ ধারণ করবে।