1 Answers
হযরত মুসা (আঃ) আজরাইল (আঃ) কে থাপ্পড় মেরেছিলেন ।
বিশেষভাবে লক্ষণীয়ঃ
এখানে একটি বিষয় না বললেই নয়। অনেকে হয়তো ভেবে থাকবে যে, মুসা (আঃ) এর মত একজন সম্মানিত নবী হয়ে আজরাইল (আঃ) কে থাপ্পড় মারাটা চরম বেয়াদবির পর্যায়ে পড়ে যা নবীদের শান হতে পারে না। ইমাম ইবনে হিব্বান (রঃ) এ সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন।
ইবন হিব্বান (রঃ) উপরোক্ত হাদীসটি আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করে এ হাদীসে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে ইঙ্গিত করে এগুলোর যে উত্তর প্রদান করেছেন তার সারসংক্ষেপ হলঃ
মৃত্যুর ফেরেশতা যখন মুসা (আ) কে মৃত্যুর কথা বললেন, তখন তিনি তাকে চিনতে পারেননি ৷ কেননা,তখন তিনি মুসা (আ) এর কাছে অপরিচিত অবয়বে আগমন করেছিলেন ৷ যেমন: একবার জিবরাঈল (আ) রাসুলুল্লাহ্ (না)-এর নিকটে এক বেদুঈনের অবয়বে আগমন করেছিলেন ৷ ইবরাহীম (আ) ও লুত (আ)-এর নিকট ফেরেশতাগণ যুবকের অবয়বে এসেছিলেন ৷ তাই তারা তাদেরকে প্রথমে চিনতে পারেননি ৷ অনুরুপভাবে মুসা (আ)-ও তাঁকে সম্ভবত চিনতে পারেননি, তাই তাকে চপেটাঘাত করে তাঁর চোখ নষ্ট করে দিয়েছিলেন ৷কেননা, তিনি বিনা অনুমতিতে মুসা (আ) এর ঘরে প্রবেশ করেছিলেন ৷ এই ব্যাথ্যাটি আমাদের শরীয়ত সম্মত ৷ কেননা, যদি কেউ কারো ঘরের মধ্যে বিনা অনুমতিতে তাকায় তাহলে এভাবে তার চোখ ফুটো করে দেয়ার বৈধতা রয়েছে ৷ অতঃপর তিনি হাদীসটি আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ্ (সা) ইরশাদ করেন, একদা মুসা (আ)-এর রুহ কবয করার জন্যে মৃত্যুর ফেরেশতা মুসা (আ)-এর কাছে আগমন করে তাঁকে বলেন, আপনার প্রতিপালকের ডাকে সাড়া দিন তখন মুসা (আ) মৃত্যুর ফেরেশতাকে চপেটাঘাত করলেন ৷ তাতে তাঁর চোখ বিনষ্ট হয়ে যায় ৷ এরপর তিনি সম্পুর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন, যেমন ইমাম বুখারী (র)-ও এর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন ৷