4 Answers
আপনার যদি সন্দেহ থাকে তাহলে এনজিওতে মাইক্রো ক্রেডিট ছাড়া আরো অনেক প্রকল্প রয়েছে । এসব প্রকল্প যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মা ও শিশু, আইন সহায়তা ইত্যাদি কম'সুচিতে চাকরি করতে পারবেন যা বৈধ ।
না, হারাম হবেনা। কারণ এনজিও এর চাকরিতে আপনার পারিশ্রমিক হিসাবে আপনাকে বেতন দেওয়া হবে। আর উক্ত টাকা আপনার পরিশ্রমের, সে টাকায় সুদ হবেনা।
আপনি যদি সুদ লেনদেন (ব্যাংক) এর চাকরি করেন তবে, নিশ্চই তা হারাম উপার্জন হবে। কেননা কোম্পানি তার মুনাফার ভেতর থেকে আপনাকে বেতন দিবে। আমার মতে যেখানে সুদ লেনদেন হয় সেখানে চাকরি করাই ঠিক নয়। এখন আপনি চাকরি করবেন কি না সেটা আপনার ব্যাপার। আর এটা মনে রাখবেন ইসলামে সুদকে হারাম করেছে।
বেসরকারী সব সংস্থাই তো এনজিও। সব এনজিওতে চাকরি করা হারাম হবার কোনো কারণ নেই। এ দেশে অনেক ইসলামী এনজিওও আছে। বৈধ কাজ করে এমন এনজিওর সংখ্যাও কম নয়। চাকরি হারাম না হালাল এটা নির্ভর করে এনজিওর কাজের উপর। কাজটা যদি হালাল হয় তাহলে সেখানে চাকরি করাটাও হালাল হবে। তবে অনেক বেদেশী এনজিও আছে যারা ইসলাম বিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করে। তদ্রূপ সেবা ও শিক্ষার নামে মুসলিমদেরকে খ্রিষ্টান বানানোর উদ্দেশ্যেও অনেক এনজিও কাজ করে। তাদের মূল শ্লোগান থাকে শিক্ষা ও মানবসেবা। কিন্তু তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে ইসলামের ক্ষতি করা ও মুসলিমদের ধর্মান্তরিত করা। এসব এনজিওতে চাকরি করা তো হালাল হবে না। তাই এনজিও সম্বন্ধে ভালোভাবে জেনে তারপর সেখানে চাকরি করতে হবে।