1 Answers
হযরত আদম আঃ থেকে নূহ আঃ পযন্ত তৎকালীন পৃথিবীর সকল মানুষই মুসলিম ছিল, তাওহীদের উপর অটল ছিল , কোন ফেরক্বা বন্দী ছিলনা, এমন অবস্হা হযরত নূহ আঃ এর জমানা পযন্ত চলতে থাকে . ইমাম বভবী রঃ বলেন হযরত আদম আঃ ও নূহ আঃ এর মধ্যবর্তী সময়ে ৫ জন বিশিষ্ট মুত্তাকী ধমভীরু নেককার লোক ছিল, যার বননা সূরা নূহতে এ ভাবেই এসেছে , , ﻭﻓﺎﻟﻮﺍ ﻻ ﺗﺬﺭﻥ ﺍﻟﻬﺘﻜﻢ ﻭﻻ ﺗﺬﺭﻥ ﻭﺩﺍ ﻭﻻﺳﻮﺍﻋﺎ ﻭﻻ ﻳﻐﻮﺙ ﻭﻳﻌﻮﻕ ﻭﻧﺴﺮﺍ ﺍﻻﻳﺔ ﺳﻮﺭﺓ ﻧﻮﺡ এ ৫ জন যথাক্রমে ওয়াদ,সূয়া , ইয়াগুছ, ইয়াউক, ও নসর , এরা প্রকৃত পক্ষে সে জামানার মুত্তাকী পরহেজগার লোক বা সে জমানার অলী , সবাই এদের সন্মন করত , তাদের কৃত নছিহত শুনতো আমল করত. ভক্তরা সূদীঘকাল পযন্ত তাদের পদান্ক অনূসরন করে সঠিক ও তাওহীদের উপর অটল ছিল . তাদের সকলের এন্তেকালের পর শয়তন মানুষবেশী জুব্বা পাগডী পরিধান করে ভক্তদের কাছে এসে পরোচনার জাল আঁটল এভাবে যে, ১৷ তোমরা যে সকল মহাপুরুষদের পদান্ক অনূসরন করছ তাদের ছবি এঁকে উপাসানলয়ে রেখে এবদত করলে. এবাদতে পূনতা লাভ করবে , মানুষবেশী শয়তানের পরামশে তাই করল , এ ভাবে অনেক দিন চলতে থাকে . ২৷ পরবর্তীতে এদের মৃত্যুর পর অন্য প্রজন্মের কাছে অন্য আর একটি পন্দী আঁটল এ ভাবে যে তোমাদের মুরুব্বীদের মূর্তী তৈরী করে তোমদের সামনে রেখে দাও তাহলে আল্লাহর এবাদতে একাগ্রতা ও পূনতা লাভ করবে , তারা শয়তানের ধোকা বুঝতে না পেরে প্রতিকৃতি উপাসনালয়ে রাখল , এদের সৃতি জাগরীত করে এবাদতে বিশেষ পুলক অনূভব করতে লাগল , এ ভাবে অনেক দিন চলতে লাগল ৷ . ৷ তবে এখনও মূর্তি পুজা শুরু হয়নি সবে মাএ রং দিতে আছে তৃতীয় ধাপে এসে পরবতী বংশধরদের কাছে এসে এমন ভাবে প্ররোচনা করল যে মালয়ূন শয়তান কামীয়াব হয়ে গেল যে , আর ভক্তরা পথভ্রষ্ট হয়ে ইতিহাসের সবনিন্ম আস্তাকূডে নিক্ষিপ্ত হলো৷ ৩৷ শয়তান বল্ ল যে তোমাদের পূরুষ রাই শুধু মাত্র এ সব মূর্তীর সন্মানই করেনী বরং এ সকল মূর্তীরই এবাদত করেছে , এগুলোই হচ্ছে ওদের উপাসক বা খোদা , সুতরাং তোমরা ও তোমাদের বাপ দাদার অনূসরন কল্পে এদেরই এবাদত কর . কাজেই শয়তানের পরামশে তাই করল এ ভাবে পৃথিবীতে সব প্রথম মূর্তি পূজার সূচনা হয়. এর ফলে তখনকার সময় প্রায় সকল মানুষই মুর্তি পূজায় লিপ্ত হয়ে এসকল মূর্তির কাছে মনোবসনা পূ্ন্যের কামনা করত . নজর- নেওয়াজ কোরবানী ইত্যাদী সব কিছুই করত . কেউ কেউ এ সকল মূর্তিকেই সয়ং খোদা মনে করতো .কেউ বা খোদাকে পাওয়ার মাধ্যম মনে করতো ৷ এ ভাবে যখন গোটা জাতিই শিরকে লিপ্ত হলো চতুরদিকে কূফরীর অন্ধকার চেয়ে গেছে ঠিক তেমনি সে মূহুতে মহান আল্লাহ তায়ালা তাদের হেদায়েতের জন্য হযরত নূহ আঃ কে রসুল হিসাবে প্রেরন করলেন ৷ কিন্তু তিনি ৯৫০ বৎসর পযন্ত দাওয়াতের কাজ করার পর মাএ ৪০ জন বা ৪০ জোডা মহিলা পুরুষ মিলে তাঁর ধম গ্রহন করলেন . অবশেষে তিনি ওহী মারফত জানতে পারলেন যে এ জাতি আর হেদায়েত পাবেনা তখনি আল্লাহর হুকুমে তিনি তাদের ধবংসের জন্য দোয়া করলেন , এবং আললাহ তায়ালা মহাপ্লাবন দারা সকল কাফেরদের ধবংস করে দিলেন তেমনি ভা--------------------------------------------------- ------------------------------------------------------ --------------------------------বেই আজকাল আমাদের দেশের স্বাথম্বেশী পেট পূজারী গূটি কয়েক আলেমের ছএ ছায়ায় কবর কেন্দ্রিক লাল -সালু কাপড , মুমবাতি আগর বাতি জালিয়ে গডে তুলছে শিরকের কারখনা , সেখানেই করা হচ্ছে ঈমান বিধংসী কমকান্ড,