1 Answers
আমার মনে হয় না যে সৌদি আরব বানিজ্যিক ভিত্তিতে কফি উৎপাদন করে। কফি উৎপাদনে কিছু দেশের অবস্থান দেওয়া হল:- আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানি-রফতানির হিসাবে জ্বালানি তেলের পরই কফির স্থান। বিশ্বব্যাপী বিপুল সংখ্যক মানুষের দেহ ও মনে চনমনে ভাব নিয়ে আসে প্রতিদিন অন্তত পাঁচ হাজার কোটি কাপ কফি। চাহিদার দিক থেকে পানীয় হিসেবে এর আগে শুধু পানি ও চায়ের অবস্থান। শুধু পানেই সীমাবদ্ধ নয় কফির চাহিদা। কোলা বেভারেজ, ওষুধ ও প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহূত ক্যাফেইন সরবরাহে রয়েছে কফি বিনের ব্যাপক চাহিদা। সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী জরিপ চালিয়ে ২০১৪ সালে কফি উৎপাদনকারী শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল কফি অর্গানাইজেশন (আইসিও)। তালিকার নিচের দিকে থাকা পাঁচটি দেশের কফি উৎপাদনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা দিয়ে সাজানো হয়েছে প্রথম পর্ব- ১০. গুয়াতেমালা: ২০১৪ সালে কফি উৎপাদনে শীর্ষ ১০-এর তালিকায় ছিল গুয়াতেমালা। ওই সময়ে দেশটিতে উৎপাদন হয়ছিল ২ লাখ ১০ হাজার কেজি কফি। কয়েক বছর ধরে দেশটিতে কফি উৎপাদনের ধারাবাহিকতা রয়েছে। ৯. উগান্ডা: গত বছর উগান্ডায় উৎপাদন হয় ২৪ কোটি কেজি কফি। এ পরিমাণ পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে গত বছর দেশটি নবম শীর্ষস্থান দখলে নেয়। মধ্য-আফ্রিকার দেশটির অর্থনীতির অপরিহার্য অংশ হলো কফি। কেননা জনসংখ্যার বৃহত্ অংশ এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। উগান্ডায় রোবাস্তা ও অ্যারাবিকা উভয় জাতের কফি উৎপাদন হয়ে থাকে। ৮. মেক্সিকো: গেল বছর দেশটিতে উৎপাদন হয় ২৪ কোটি কেজি কফি। এ সময় উগান্ডা ও মেক্সিকোয় সমপরিমাণ কফি উৎপাদন হলেও ভালো মানের কারণে দেশটির অবস্থান অষ্টমে। মেক্সিকো মূলত অ্যারাবিকা কফি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এর বেশির ভাগই আমদানি করে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। ৭. হন্ডুরাস: তালিকায় সপ্তম স্থানে থাকা দেশটিতে কফি উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমছে। গত বছর উৎপাদন হয় ২৭ কোটি ৯০ লাখ কেজি কফি। এর পরিমাণ ২০১১ সালে ছিল ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার কেজি। মূলত হন্ডুরাসে কফির জাতীয় কোনো ব্র্যান্ড না থাকায় পণ্যটি উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন দেশটির কৃষকরা। ফলে উৎপাদন কমছে। মধ্য আমেরিকার বৃহত্ উৎপাদনকারী দেশটির অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো কফি। ৬. ভারত: গত বছর ভারতে উৎপাদন হয় ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ব্যাগ কফি। এ পরিমাণ কফি উৎপাদনের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠ স্থানটি দখল করে নেয় দেশটি। দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলে কফি উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে অনেক কৃষক এটি উৎপাদন করে থাকেন। তারা মূলত মসলাজাতীয় পণ্য বিশেষ করে এলাচ ও দারচিনির পাশাপাশি কফি আবাদ করেন। ভারতে স্থানীয়ভাবে কফি খুব বেশি জনপ্রিয় নয়। এ কারণে উৎপাদিত পণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই রফতানি হয়ে থাকে। দেশটিতে উৎপাদিত কফির প্রধান ক্রেতা দেশের তালিকায় রয়েছে ইউরোপ ও রাশিয়া।