1 Answers
ব্যাকরণের প্রকারভেদ: ব্যাকরণ চার প্রকার। যথা:
ক. বর্ণনাত্মক ব্যাকরণ খ. ঐতিহাসিক ব্যাকরণ
গ. তুলনামূলক ব্যাকরণ ও ঘ. দার্শনিক বিচারমূলক ব্যাকরণ।
# বর্ণনাত্মক ব্যাকরণ: বিশেষ কোনো কালের কোনো একটি ভাষার রীতি ও প্রয়োগ বর্ণনা করা এর বিষয় এবং সে বিশেষ কালের ভাষা যথাযথ ব্যবহার করতে সাহায্য করা এর উদ্দেশ্য।
# ঐতিহাসিক ব্যাকরণ: আধুনিক বা কোনো নির্দিষ্ট যুগের ভাষাগত প্রয়োগরীতি আলোচনা করে আলোচ্য ভাষার রূপটির বিকাশের ইতিহাস পর্যালোচনা করা এর লক্ষ্য।
# তুলনামূলক ব্যাকরণ: যে শ্রেণীর ব্যাকরণ কোনো বিশেষ কালের বিভিন্ন ভাষার গঠন, প্রয়োগরীতি ইত্যাদির তুলনামূলক আলোচনা করে থাকে, তা-ই তুলনামূলক ব্যাকরণ।
# দার্শনিক বিচারমূলক ব্যাকরণ: ভাষায় অন্তর্নিহিত চিন্তা প্রণালিটি আবিষ্কার ও অবলম্বন করে সাধারণভাবে কিংবা বিশেষভাবে ভাষার রূপের উৎপত্তি ও বিবর্তন কীভাবে ঘটে থাকে, তার বিচার করা এর পর্যায়ভুক্ত।