1 Answers

গৃহস্থালী কাজে ফ্রিজ আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। ব্যস্ত জীবনে উপকারী ফ্রিজ ছাড়া আমাদের চলেই না। এটি সাধারণত শাকসবজি, মাছ-মাংস, রান্না করা খাবার, পানি ইত্যাদি জিনিস সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই এর ভুল ব্যবহারে ফ্রিজকে করছি প্রাণঘাতি। অজান্তেই আমন্ত্রণ জানাচ্ছি কঠিন অসুখকে। তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আমাদের সবারই জানা দরকার ফ্রিজ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম। - রক্তসহ কাঁচা মাছ, মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করা দেহের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এতে তৈরি হতে পারে প্রাণঘাতী জীবানু। যা আমাদের শরীরে ক্যান্সারের সৃষ্টি করতে পারে। তাই রান্না করে রাখায় ভালো। - ডিম ফ্রিজে রাখা হলে ফ্রিজের ঠান্ডা তাপমাত্রা ডিমের ভিতরের পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে কখনও কখনও ডিমের উপরের খোসা ভেঙে যায় এবং ভিতরে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। - রান্না খাবার সংরক্ষণ করার জন্য ফ্রিজ অত্যন্ত উপকারী। তবে বার বার বের করে গরম করা, তা আবার ঢুকিয়ে রাখা কখনোই উচিত নয়। রান্না করা খাবার বার বার ফ্রিজ থেকে বের করে গরম করে খেলে খাদ্যের পুষ্টিগুন চলে যায়। - পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা বা অতিরিক্ত পেঁয়াজ জাতীয় খাদ্য ফ্রিজে রাখলে বাজে গন্ধের সৃষ্টি হয়। সঙ্গে ফুড পয়জনিং এর কারণ হতে পারে। - দুধ জাল দেওয়ার পরে ঠাণ্ডা করে ফ্রিজে রাখবেন। কারণ কাঁচা দুধ ফ্রিজে রাখার মানে হল, এতে থাকা ব্যকটেরিয়া সংরক্ষণ করা। - ফ্রিজে সংরক্ষিত মাংস এবং মাছ, একবার ফ্রিজ থেকে বের করে তা আবার ফ্রিজে রাখা উচিত না। এতে করে এসব খাবারে ব্যাকটেরিয়া জন্মায় যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। - টাটকা শাকসবজি, ফলমূল ফ্রিজে অবশ্যই রাখুন। কিন্তু দু’ থেকে তিন দিনের বেশি নয়। তাহলে সবজিগুলি খারাপ হয়ে যায় এবং তার মধ্যে জন্মায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। তাছাড়া দীর্ঘদিন একই খাবার ফ্রিজে না রেখে খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিমুক্ত। তবে খুব প্রয়োজন হলে খাবার অল্পদিনের জন্য ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।

2644 views

Related Questions