1 Answers

চিকিত্‍সক সম্পূর্ণ পরীক্ষা করে তারপর নিচে উল্লেখ করা পরীক্ষাগুলি করার পরামর্শ দেয়: কোনও সংক্রমণ আছে কিনা তা জানতে রক্ত পরীক্ষা।   বুকের এক্স-রে, ফুসফুসের গ্রাউন্ড গ্লাস আকার সনাক্ত করার জন্য, যা সাধারণত জন্মের 6 থেকে 12 ঘণ্টা পর দেখা যায়। রক্ত গ্যাস বিশ্লেষণ, শরীরের তরলের মধ্যে অস্বাভাবিক অক্সিজেনের মাত্রা এবং অ্যাসিডের মাত্রা সনাক্ত করার জন্য। সদ্যজাত যারা এই সমস্যায় ভুগছে বা যাদের মধ্যে এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে তাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ারে রাখা উচিত এবং একজন বিশেষজ্ঞ দ্বারা নজরে রাখা উচিত। শিশুদের সঠিক শারীরিক তাপমাত্রায় রাখতে হবে এবং তার সঙ্গে তাদের খুব যত্নসহকারে ধরতে হবে এবং আশেপাশের পরিবেশ শান্ত রাখতে হবে। তরল এবং পুষ্টি ভালোভাবে পরিচালনা করতে হবে এবং যদি কোনও সংক্রমণ থাকে তাহলে তার চিকিত্‍সা করতে হবে। পরিচালনার বা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে রয়েছে: যত্নশীল তত্ত্বাবধানে এবং সবসময়ে নজরে রেখে সদ্যজাতকে উষ্ণ, আদ্র অক্সিজেন দিতে হবে। অতিরিক্ত বা কৃত্তিম সারফ্যাকটান্ট দিতে হবে, যা সাধারণত শিশুর শ্বাসনালির মধ্যে দিয়ে সরাসরি দেওয়া হয়। ভেন্টিলেটরের পরামর্শ তখনই দেওয়া হয় যখন: রক্তে কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বেশি থাকে এবং অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে। রক্তে পিএইচ (অ্যাসিডিটি) কম থাকে। যখন শ্বাস নেওয়ার সময় প্রায় শ্বাস থেমে যায়। ক্রমাগত পসিটিভ এয়ারওয়ে চাপ (সিপিএপি) হলো চিকিত্‍সার আরেকটি পদ্ধতি যা ভেন্টিলেটরের মধ্যমে দেওয়া হয় বা সিপিএপি যন্ত্রের মধ্যমে দেওয়া হয়, যার মধ্যে নাকের ভিতরে বায়ু পাঠানো হয়, এবং যার সঙ্গে সহকারী ভেন্টিলেশনের প্রয়োজন পড়ে না।

7995 views Answered

Related Questions

Next steps